সাভারের আশুলিয়ায় ভুয়া পত্রিকা অফিসের আড়ালে পরিচালিত একটি নকল জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর কারখানায় অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বাইপাইল এলাকার ওই আস্তানা থেকে আনুমানিক দুই কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ ও নিম্নমানের কনডম ও ওষুধ জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে বাইপাইলের ওই ভবনে তল্লাশি চালায়।
তদন্তে জানা যায়, নামসর্বস্ব সংবাদপত্র ও ভুয়া সামাজিক সংগঠনের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ মালামাল মোড়কজাত করা হচ্ছিল। ভারত থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা নিম্নমানের এসব কাঁচামাল কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই বাজারজাত করার প্রস্তুতি চলছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, অনুমোদনহীন এই কারখানার কারণে সরকার যেমন বিপুল রাজস্ব হারিয়েছিল, তেমনই এসব পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছিল। এর আগেও একই অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে চার লাখ টাকা জরিমানা ও সিলগালা করা হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে বৈধভাবে ব্যবসা চালানোর মুচলেকা দিয়ে সিলগালা খুললেও মালিকপক্ষ পুনরায় অবৈধ কর্মকাণ্ড শুরু করে। বৃহস্পতিবারের অভিযানে জব্দ করা মালামাল ট্রাকে করে বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অভিযানের খবর পেয়ে কারখানার মূল হোতা শাহাদত হোসেন শান্তু ঢাকায় সটকে পড়েন এবং কর্মচারীরাও পালিয়ে যায়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
তথ্যসূত্র : সাভার উপজেলা প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত তথ্য।
সিডনিতে শারীরিক সম্পর্কের সময় তরুণীর মৃত্যু
খোঁজ মিলছে না ভারতের সেই ৩০ তীর্থযাত্রীর