গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফরে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে বইছে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ।
রাষ্ট্রপতিকে বরণ করে নিতে শহরের প্রধান সড়ক, ডিভাইডার ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় চলছে রঙের কাজ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের ব্যাপক প্রস্তুতি।
আগামী ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঠাকুরগাঁও পৌঁছাবেন রাষ্ট্রপতি। তার সফর উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনার জন্য একটি বিশাল মঞ্চ প্রস্তুত করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন সড়কের ডিভাইডারে নতুন রঙ করার পাশাপাশি চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. মুহাম্মদ আবু খয়রুল কবির জানান, ‘রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে অভূতপূর্ব উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে তাকে সংবর্ধনা জানাতে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করছেন, রাষ্ট্রপতির এই সফর ঠাকুরগাঁওয়ের দীর্ঘদিনের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধানে বড় ভূমিকা রাখবে। সাবেক মন্ত্রী থাকাকালে তার উদ্যোগে নেওয়া ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং বিমানবন্দর সচল করার চলমান প্রকল্পগুলো গতি পাবে বলেও মনে করছেন স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ।
দুই দিনের সফরের প্রথম দিন তিনি পিতামাতার কবর জিয়ারত ও নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে তার।
রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর সদস্যরা ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা তদারকি শুরু করেছেন।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন জানান, রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষ্যে জেলাজুড়ে নিছিদ্র নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে পুরো শহর সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আওতায় আনা হবে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সিফাতকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ
এবার ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা