মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশিসহ নয়জনের মৃত্যুর পর মধ্য কলকাতার হোটেল ও গেস্টহাউজগুলোতে কড়া অভিযান শুরু হয়েছে।
অগ্নিনিরাপত্তা ও বৈধ অনুমোদন না থাকায় নিউ মার্কেট, মার্কুইস স্ট্রিট ও ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকার শতাধিক সাশ্রয়ী হোটেল বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
এর ফলে চিকিৎসাসেবা নিতে ভারতে যাওয়া বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা চরম আবাসন সংকটে পড়েছেন।
সাশ্রয়ী হোটেলগুলো হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকে বেশি ভাড়ায় দূরবর্তী এলাকায় উঠছেন, আবার অনেককে বাধ্য হয়ে বাধ্য হয়ে ফুটপাতে কিংবা রাস্তার ধারে রাত কাটাতে হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ঠাকুরপুকুরের সরোজ গুপ্তা ক্যানসার সেন্টারসহ বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘমেয়াদি কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন চিকিৎসা নিতে যাওয়া ক্যানসার রোগীরা।
একই সমস্যায় ভুগছেন পশ্চিমবঙ্গের দূরদূরান্ত থেকে আসা স্থানীয় রোগীরাও। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আবাসন নিশ্চিত না করে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন।
কঙ্গোতে বিয়ের অনুষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডে ২২ প্রাণহানি
৬ দফা না মানলে অজুহাত ছাড়াই বৃহত্তর আন্দোলন