নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পুলিশের ধাওয়ার সময় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. সোহাগ চৌধুরী (৩৫) মারা যাওয়ার ঘটনায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের নবীর বাজার এলাকায় সোহাগের জানাজা শেষে বাড়ির সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তার মা, ভাইসহ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয়রা অংশ নেন।
মানববন্ধনে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, পূর্বশত্রুতার জেরে মোহাম্মদপুরের যুবদল নেতা দিদারের ইন্ধনে লিটন, জাফর, সোহাগসহ কয়েকজন মিলে সোহাগকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন। তাদের দাবি, মরদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, পুলিশ সোহাগকে ধাওয়া করার পর তার মৃত্যুর ঘটনায় তাদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তসহ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও করেন।
তবে পরিবারের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান। তিনি জানান, সোহাগের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। তাকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে পুলিশ ওই এলাকায় গেলে বাদীপক্ষের সঙ্গে কথা বলছিল। এ সময় দূর থেকে পুলিশকে দেখে সোহাগ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।
ওসি বলেন, দৌড়ে পালানোর একপর্যায়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহাগের মৃত্যু হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
সূবর্ণচরে পুলিশ দেখে পালানোর সময় আসামির মৃত্যু
পরকীয়ার কারণে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার দাবি পুলিশের