বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত ও সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনলি। কোনো অজুহাতেই যুদ্ধ কিংবা মানবতাবিরোধী গণহত্যাকে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
রাজধানী ডাবলিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আইরিশ প্রেসিডেন্ট এই শক্ত অবস্থান তুলে ধরেন। ডাবলিনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের এই অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।
বৈঠকে আইরিশ প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নিয়ম, জাতিসংঘের সনদ এবং ১৯৫৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে আয়ারল্যান্ডের ঐতিহাসিক অবদানের বিষয়টি জোর দিয়ে উপস্থাপন করেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডের সাধারণ মানুষের অনড় অবস্থানের কথা তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সরাসরি জানান।
নিজের দেশের ইতিহাস তুলে ধরে ক্যাথরিন কনলি বলেন, আয়ারল্যান্ড বহু বছর ধরে দুর্ভিক্ষ, ঔপনিবেশিক শাসন এবং 'দ্য ট্রাবলস'-এর মতো রাজনৈতিক সহিংসতার মধ্য দিয়ে গেছে। এসব তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই আয়ারল্যান্ড বুঝেছে যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ কতটা কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ।
ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার কারণে আন্তর্জাতিক যেকোনো সংঘাত নিরসনে আইরিশ জনগণ গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা সাহসের সঙ্গে মাঠে কাজ করছেন, আয়ারল্যান্ড চিরকাল তাদের পাশে থাকবে বলে ট্রাম্পকে নিশ্চিত করেন তিনি।
সূত্র: আল-জাজিরা।
হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে হুথিদের হুঁশিয়ারি, প্রণালি বন্ধের হুমকি
ইরানের শাহেদ ড্রোন নকল করলো যুক্তরাষ্ট্র!