ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা নিজেদের লক্ষ্য হাসিলে শক্তির ব্যবহারকেই প্রধান হাতিয়ার মনে করে। নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিশ্লেষক মোহাম্মদ আল বাশার মতে, গোষ্ঠীটি এখন ইয়েমেনের ওপর পূর্ণ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
হুতিদের মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করা এবং দেশের আকাশসীমা, সমুদ্রবন্দর ও সমস্ত প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়া। এই সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান অর্জনের পরই তারা অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সৌদি আরবের সাথে আলোচনায় বসতে আগ্রহী।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বৈধ সরকার হিসেবে রিয়াদ যাতে স্বীকৃতি দেয়, সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য। নিরাপত্তা বিশ্লেষক আল বাশার মতে, পুরো ইয়েমেন দখল করলেও হুতিরা থেমে থাকবে না; তারা সৌদি আরবের কাছে বিপুল অঙ্কের সামরিক ক্ষতিপূরণ ও পুনর্গঠন তহবিল দাবি করবে।
তবে এই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরও হুতিরা নতুন কোনো দাবি তুলবে না—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ফলে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর অনমনীয় মনোভাবের কারণে রিয়াদ বর্তমানে চরম রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বেকায়দায় রয়েছে।
যদিও ইরান হুতিদের মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী শক্তিতে রূপান্তরে সহায়তা করেছে, তবে এই গোষ্ঠীর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপর তেহরানের একক বা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই। মাঠে ইরানি সামরিক উপদেষ্টা থাকলেও হুতিরা তাদের নিজস্ব এজেন্ডা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, ইরান হয়তো হুতিদের আজকের এই শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরানের প্রত্যক্ষ সহায়তা ছাড়াও ইয়েমেনের মাঠে টিকে থাকার মতো সামরিক সক্ষমতা হুতিদের রয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
হরমুজে ট্যাঙ্কার হামলার দাবি অস্বীকার সেন্টকমের
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১