সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে পাকিস্তানের তৎপরতা

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ এএম

পাকিস্তান হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে নিজেদের অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসার পর সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। রিয়াদ ও ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মধ্যে সাম্প্রতিক এই অবস্থান পরিবর্তন নতুন কূটনৈতিক হিসাব তৈরি করেছে।

হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক তৎপরতায় পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে আগে থেকেই নানা আলোচনা ছিল। কিন্তু সামরিক সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ইসলামাবাদের অবস্থান নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়। পরে পাকিস্তান নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করায় সৌদি নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি সামনে আসে।

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের জন্য সৌদি আরব শুধু গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মিত্র নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ফলে ইয়েমেন ও হুথি ইস্যুতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না করার বিষয়টি ইসলামাবাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে সৌদি আরবও হুথিদের সামরিক সক্ষমতা ও ইয়েমেনের সংঘাতকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখে। বিশেষ করে সৌদি ভূখণ্ড, জ্বালানি অবকাঠামো এবং লোহিত সাগর অঞ্চলে হুথিদের হামলার ঝুঁকি রিয়াদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এ অবস্থায় পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—একদিকে সৌদি আরবের নিরাপত্তা উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়া, অন্যদিকে নিজেকে ইয়েমেনের যুদ্ধে সরাসরি জড়ানো থেকে বিরত রাখা।

ওয়াইএ
আরও পড়ুন