এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান একই অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন। ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বক্তব্য দেওয়ার পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর পেজেশকিয়ানের ভাষণ নির্ধারিত রয়েছে।
এ কারণে দুই নেতার বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য ও পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থান জাতিসংঘের মঞ্চে আরও স্পষ্ট হতে পারে।
তবে জাতিসংঘের অধিবেশনের বাইরে দুই দেশের নেতার মধ্যে সরাসরি বৈঠক হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
চলমান সংঘাতের মধ্যেও ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভিসা দিয়েছে। তবে ইরানি প্রতিনিধিদলের ওপর নিউইয়র্কে চলাফেরা ও কিছু কেনাকাটার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এ বছর ইরানের প্রতিনিধিদলও আগের বছরের তুলনায় ছোট হবে বলে জানানো হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইতোমধ্যে নিউইয়র্কে পৌঁছে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন। পেজেশকিয়ানও ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাওয়ার কথা রয়েছে বলে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিশ্ব নেতাদের মনোযোগ থাকবে পেজেশকিয়ানের বক্তব্যে