রাজধানীর ইসিবি চত্বরে নিজের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটের ঘটনার পর চাঁদা দাবির বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির। তিনি জানিয়েছেন, তার কাছে সরাসরি কেউ চাঁদা দাবি করেনি। তবে চাঁদা চাওয়া হলে এবং তা সামর্থ্যের মধ্যে থাকলে তিনি দিতেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘আমাকে বলেছে যে চাঁদা দেয়নি, এই জন্য ঘটনাটি ঘটেছে। এখন চাঁদা তো আমার কাছে চায়নি। চাঁদা চাইলে আমি ডেফিনিটলি দিতাম। যদি আমার পোষাতো, তখন আমি অবশ্যই দিতাম। তবে উনারা কেন দেয়নি, কত টাকা দেয়নি এই ব্যাপারে আমার কোনো আইডিয়া নেই।’
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইসিবি চত্বরে সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন স্টুডিওটির কর্মকর্তারা।
চাঁদা দাবির বিষয়টি কীভাবে জানতে পেরেছেন এ প্রসঙ্গে সালমান বলেন, ‘এটা মাত্র পুলিশদের কাছ থেকে শুনলাম। বাইরের লোকজনের কাছ থেকেও শুনলাম। বাট আই ডোন্ট কেয়ার। যে কারণেই হোক না কেন, হয়েছেতো; এটাই বাংলাদেশ।’
বাংলাদেশের আইনের প্রতি আস্থাহীনতার কথা জানিয়ে সালমান বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের আইনে বিশ্বাস করি না। আমি আইনের ব্যাপারে অনেক নাস্তিক বাংলাদেশের।’
তবে নিজের কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দৃঢ়তার কথা জানান তিনি। সালমান বলেন, ‘লাকিলি আমার পক্ষে এটা কপআপ করা সম্ভব। আমি সব সময় নিজের দমে কাজ করে আসছি। আর এই একই জিনিস আমি করব। তবে টেনশন হচ্ছে আমার মতো মনোবল নিয়ে কয়জন আগাতে পারবে?’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রসঙ্গেও কথা বলেন সালমান মুক্তাদির। তিনি বলেন, ‘আমাদের যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন, তিনি এসব ভিডিও প্রায়ই দেখেন। উনাকে যদি কিছু বলা হয়, আমি জানি না উনি কতদূর স্বীকার করেন কি না। তবে উনার প্রতি আমার কোনো রাগ বা অভিযোগ নেই। বিএনপির একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বা দেশের একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে উনার যা করার কথা, উনি ভালো করেই জানেন। আর উনি কতদূর করেছেন, এটা আমার বলা কিছু না। আপনারা আছেন, দেশবাসী আছে; তারাই বলতে পারে যে উনি কতটুকু ভালো কাজ করেছেন।’
সবশেষে অভিমানের সুরে সালমান বলেন, ‘এটা বাংলাদেশ; এখানে আমার দোষ দেওয়ার কিছু নেই। নতুন করে বলার কিছু নেই। আপনারা বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরছেন। বাংলাদেশ এ রকমই। এখানে জন্মেছি, এভাবেই জন্মাবো; যদি পারি বের হয়ে চলে যাব। যারা পারছে না, তারা এখানে থেকে যাবে।’
ইরানের বিরুদ্ধে ১৪৬ দেশের নিন্দা, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
মাউন্ট এতনায় ফের অগ্ন্যুৎপাতে ৪ কিমি উঁচু ছাইয়ের কুণ্ডলী, ফ্লাইট বন্ধ