বিশ্ব সংগীত দুনিয়ার শীর্ষ তারকা টেইলর সুইফট। স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে পুরষ্কারের মঞ্চ—সবখানেই এখন তার একচ্ছত্র আধিপত্য। সম্প্রতি এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে প্রথম শিল্পী হিসেবে ‘আর্টিস্ট ডিরেক্টর অ্যাওয়ার্ড’ জিতে তিনি নতুন ইতিহাস গড়েছেন।
তবে এই তুমুল জনপ্রিয় পপ তারকাকে নিয়েই উঠেছে এক কঠোর সমালোচনা। আমেরিকান সংগীতের প্রখ্যাত গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক টড রান্ডগ্রেন দাবি করেছেন, টেইলর সুইফট নাকি ‘সংগীতকে ধ্বংস করেছেন’।
সম্প্রতি ‘ভালচার’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রান্ডগ্রেন জানান, বর্তমানে কোনো শিল্পীকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক অ্যালবাম বানাতে হলে তিনি সুইফটকেই বেছে নেবেন। ১৯৭৭ সালে মিট লোফের ঐতিহাসিক ‘ব্যাট আউট অব হেল’ অ্যালবামটিও ব্রুস স্প্রিংস্টিনকে ব্যঙ্গ করে বানিয়েছিলেন তিনি।
সুইফটকে নিয়ে নিজের মন্তব্য ব্যাখ্যা করে ‘হ্যালো ইটস মি’ খ্যাত এই শিল্পী বলেন, সুইফট মূলত ‘মধ্যম মানের সংগীতের চরম প্রতীক’। তার মতে, কীভাবে এই সংগীতধারার কারণে শিল্পের আসল মান নষ্ট হয়েছে তা খুব স্পষ্ট।
সংগীতের বর্তমান প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করতে গিয়ে রান্ডগ্রেন বলেন, নব্বইয়ের দশকে ছেলেরা গান ছেড়ে ভিডিও গেমে মনোযোগী হয়। তখন বাজার বাঁচাতে প্রযোজকরা কিশোরী শ্রোতাদের লক্ষ্য করে গান বানানো শুরু করেন, যা আজ নারীদের জয়জয়কারে রূপ নিয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে সংগীতজীবন শুরু করা টড রান্ডগ্রেন ইলেকট্রিক মিউজিক ও প্রগ্রেসিভ রকের অন্যতম পথিকৃৎ। ২০২১ সালে সম্মানজনক ‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেম’-এ অন্তর্ভুক্ত হওয়া এই গুণী শিল্পী সবসময়ই ভিন্নধারার সৃষ্টির জন্য পরিচিত।
অন্যদিকে, সুইফট তার ২০২৫ সালের অ্যালবামের নতুন গান ‘পেশেন্ট জিরো’ প্রকাশ করে ইতোমধ্যেই ২০২৬ সালের স্পটিফাইতে নারী শিল্পীদের মধ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ স্ট্রিমের রেকর্ড ভেঙেছেন।
ঢাকায় আসছেন ‘তেরে বিন’ খ্যাত ওহাজ
ইয়ামালের জোড়া গোলে ক্রোয়েশিয়াকে উড়িয়ে দিলো স্পেন