যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বিরুদ্ধে ২০টির বেশি অভিযান চালানোর দাবি করেছে ইরানের নৌবাহিনী। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আরও প্রায় ৩০০টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির নৌবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রিয়ার অ্যাডমিরাল জলিল মোগাদ্দাম এসব দাবি করেন। তিনি জানান, মার্কিন নৌযানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের মধ্যে বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে লক্ষ্য করে চালানো অভিযানও ছিল।
মোগাদ্দামের দাবি, সংঘাতের শুরুর দিনগুলোতেই ইরানের বাহিনী মার্কিন এই রণতরিটির অবস্থান শনাক্ত করে এবং সেটিকে লক্ষ্য করে একটি কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর রণতরিটি তিন দিনের জন্য বিমান পরিচালনা কার্যক্রম স্থগিত রাখে এবং পরে ইরানের উপকূল থেকে দূরে সরে যায় বলে জানান তিনি। তবে এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
ইরানের এই কমান্ডার আরও দাবি করেন, ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারকে হয়রানি করার পর একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে অভিযান চালানো হয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করা আরও তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারকে যৌথ হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।
মার্কিন বাহিনীর ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন মোগাদ্দাম। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাহিনী ইরানের উপকূলের কাছে আসা এড়িয়ে চলছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি না এসে তারা ইরানের উপকূল থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
তবে ইরানি কমান্ডারের এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ক্ষয়ক্ষতি, অভিযানগুলোর ফলাফল কিংবা সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়নি। সূত্র: ডন
চিকিৎসার পর সুস্থ আছেন ইমরান খানের কারাবন্দী বোন
জেডি ভ্যান্সের চিঠির জবাব দেননি মোহসেন রেজাই
ইরানকে পরমাণু অস্ত্রের পথে ঠেলতে পারে তৃতীয় দফা যুদ্ধ