ইরানের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফায় বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালে দেশটিকে পরমাণু অস্ত্র তৈরির দিকে আরও বেশি ঠেলে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করার চেষ্টা উল্টো দেশটির পরমাণু অস্ত্রের পক্ষে থাকা রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে আরও প্রভাবশালী করে তুলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঠেকানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া মার্কিন সামরিক পদক্ষেপই শেষ পর্যন্ত সেই কর্মসূচিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রেরণা জোগাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মাহদি নিকসেফাত মোতলাঘ ও কিয়াভাশ কালহোরের বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে বলা হয়েছে, কোনো প্রভাবশালী রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্ত আসে তখন, যখন দেশটির নেতৃত্ব মনে করে, যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া জরুরি। তখন প্রত্যাশিত ফল না এলে আরও বড় হামলার পক্ষে যুক্তি তৈরি হয়। আগের সামরিক অভিযানে ব্যয় ও ক্ষয়ক্ষতি যত বাড়ে, বিজয় অর্জনের চাপও তত বাড়তে থাকে। অথচ সেই বিজয় অর্জনের পথ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ দেশটিকে সংকটের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে এবং নতুন করে বিমান হামলা চালালে সরকার পরিবর্তনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলে এমন ধারণা রয়েছে। ২২ অক্টোবর প্রকাশিত দ্য আটলান্টিক-এর এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে এ বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে হামলা চালানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বরং আরেক দফা চাপ প্রয়োগ করলেই নির্ণায়ক ফল পাওয়া যাবে, এমন প্রত্যাশা আবারও সামনে এসেছে।
লেখকদের মতে, এই প্রত্যাশার পেছনে রয়েছে একটি পুরোনো ভুল ধারণা। তা হলো, প্রতিপক্ষকে দুর্বল করে দিতে পারলেই তার রাজনৈতিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু কোনো দেশ সামরিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হামলাকারীর চাওয়া রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত মেনে নাও নিতে পারে। ইরানের ক্ষেত্রেও সামরিক ক্ষয়ক্ষতিকে দেশটির রাজনৈতিক আত্মসমর্পণের সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই। সামরিক শক্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব থাকলেই কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক ফল নিশ্চিত হয় না।
নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক আধিপত্যের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করার মাধ্যমে প্রভাবশালী শক্তি তার মিত্রদের একত্রিত রাখতে, সামরিক উপস্থিতির যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠা করতে এবং নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জোরালো করতে পারে। কিন্তু সেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও পাল্টা হামলার ঝুঁকি বাড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। ধ্বংস করার ক্ষমতা বজায় থাকলেও সংকটের পরিণতি নিয়ন্ত্রণের দাবি তখন দুর্বল হয়ে পড়ে।
ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকেও ওয়াশিংটনের শিক্ষা নেওয়ার কথা ছিল বলে মনে করেন লেখকেরা। সাদ্দাম হোসেনের সরকারের পতন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে স্থিতিশীল রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। ইরানের ক্ষেত্রেও সামরিক হামলার মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যবস্থার পতন ঘটানোর পথে বড় বাধা রয়েছে। দেশটির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, জাতীয় সংহতির বিভিন্ন উৎস এবং চাপের মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতার কারণে কয়েকজন নেতাকে সরিয়ে দিলেই পুরো ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দেওয়া সম্ভব নয়। সরকার দুর্বল হয়ে পড়লেও সিদ্ধান্ত নেওয়া ও প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে।
২০২৫ সালের জুনে ১২ দিনের যুদ্ধ এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এই সমস্যাকে ভিন্ন মাত্রায় সামনে এনেছে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সংঘাতে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের নির্ধারিত ভবিষ্যৎ মেনে নিতে তেহরানকে বাধ্য করার যে লক্ষ্য ছিল, তা এখনো বিতর্কিত। আলোচনা, হুমকি ও চাপ অব্যাহত থাকার বিষয়টিই দেখায়, সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এখনো কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক পরিণতি নিশ্চিত করতে পারেনি।
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তা শুরু করা দেশের জন্য সংঘাতের অবসান ঘটানোর অর্থও বদলে যেতে পারে। কোনো প্রেসিডেন্ট
যদি ইরানকে পিছু হটতে বাধ্য করাকে নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে যুক্ত করেন, তাহলে এমন কোনো চুক্তি মেনে নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে, যেখানে ইরান নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা ধরে রাখে। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ভাবমূর্তি তখন যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির বিশ্বাসযোগ্যতা এবং মিত্রদের আস্থার সঙ্গে জড়িয়ে যায়। ফলে একটি যুদ্ধের পরিণতি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর ক্ষমতা ও আধিপত্যের প্রশ্নে পরিণত হয়।
এমন পরিস্থিতিতে তৃতীয় দফায় বড় ধরনের হামলাকে আগের দুই দফা অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারের সুযোগ হিসেবে তুলে ধরা হতে পারে। কিন্তু নতুন হামলাতেও প্রত্যাশিত রাজনৈতিক ফল না এলে আরও চাপ প্রয়োগের দাবি জোরালো হতে পারে। যুদ্ধ থেকে সরে আসাকে পরাজয় হিসেবে বিবেচনা করলে একজন নেতা সংঘাত শেষ করার বদলে তাতে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়তে পারেন।
অন্যদিকে, ইরানও সংঘাতের শুরুতে যে অবস্থানে ছিল, সেখানে স্থির হয়ে নেই। হামলার অভিজ্ঞতা দেশটির হুমকি মোকাবিলার ধারণা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যক্রম টিকিয়ে রাখার কৌশলে পরিবর্তন আনতে পারে। সামরিক কমান্ডারদের জায়গায় নতুন নেতৃত্ব নিয়োগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং প্রতিপক্ষের ওপর ক্ষতির চাপ তৈরির বিকল্প উপায় খুঁজে নেওয়া, এসব সক্ষমতা কেবল ধ্বংস হওয়া লক্ষ্যবস্তুর সংখ্যা দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না।
তবে যুদ্ধের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতার অর্থ এই নয় যে ইরান যুদ্ধের ক্ষতি থেকে মুক্ত। রাষ্ট্রীয় কাঠামো টিকে থাকলেও সমাজে ক্লান্তি, অবকাঠামোর ক্ষতি এবং সম্পদের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা উভয় পক্ষকেই বদলে দেয়, আর হামলাকারীও তার কৌশল পরিবর্তন করতে পারে। তাই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক ফল আনতে পারবে না, এমন নিশ্চয়তাও নেই।
লেখকদের মতে, ইরানের জন্য বড় সমস্যা হলো, একটি যুদ্ধ টিকে থেকে পার করতে পারলেও পরবর্তী যুদ্ধ ঠেকানোর নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। বারবার হামলা, পুনর্গঠন ও নতুন হুমকির চক্র দেশটির সমাজ ও অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যুদ্ধবিরতি হলেও যদি অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত থাকে এবং নতুন হামলার আশঙ্কা থেকে যায়, তাহলে পুনর্গঠনের উদ্যোগ যেকোনো সময় আবার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এতে একদিকে রাষ্ট্রকে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে হয়, অন্যদিকে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নির্ভর করে প্রতিপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর।
এই পরিস্থিতি ইরানের পরমাণু নীতির হিসাব-নিকাশ বদলে দিতে পারে। তেহরানের নীতিনির্ধারকেরা যদি মনে করেন, প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা যুদ্ধের খরচ বাড়াতে পারলেও বারবার হামলা ঠেকাতে পারছে না, তাহলে পরমাণু অস্ত্রের পক্ষে থাকা ব্যক্তিদের যুক্তি শক্তিশালী হতে পারে। তাদের দাবি হতে পারে, ভবিষ্যতে হামলা ঠেকাতে প্রচলিত প্রতিরোধব্যবস্থার বাইরে আরও শক্তিশালী প্রতিরোধক্ষমতা প্রয়োজন।
এমন বিতর্কের লক্ষণও দেখা যাচ্ছে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০ অক্টোবর কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসে পুনঃপ্রকাশিত ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক প্রতিবেদনের অংশে বলা হয়েছে, ইরানের কিছু কট্টরপন্থী রাজনীতিক, সংসদ সদস্য ও বিশ্লেষক পরমাণু অস্ত্রের বিরোধিতা থেকে সরে আসা এবং পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি থেকে প্রত্যাহারের পক্ষে মত দিচ্ছেন। তবে এটি রাজনৈতিক বিতর্কের একটি অংশে পরিবর্তনের ইঙ্গিত; ইরান সরকার এমন কোনো সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়েছে, তা প্রমাণ করে না।
তৃতীয় দফার হামলাও যদি নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরমাণু অস্ত্রের পক্ষে থাকা ব্যক্তিদের যুক্তি আরও জোরালো হতে পারে। তাদের মতে, সাময়িকভাবে বোমা হামলা বন্ধ হওয়া ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। সেই যুক্তিতে পরমাণু অস্ত্র অর্জনকে পরবর্তী হামলা ঠেকানোর উপায় হিসেবে তুলে ধরা হতে পারে। তবে এমন অস্ত্র অর্জন করলেই যে হামলার ঝুঁকি দূর হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
পরমাণু অস্ত্র তৈরির পক্ষে রাজনৈতিক প্রেরণা তৈরি হওয়া, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া, প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন এবং কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা, এগুলো এক বিষয় নয়। ৭ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে। ফলে ইরানের পরমাণু অস্ত্র অর্জনের পথকে সহজ বা অবধারিত বলে বিবেচনা করা যায় না। বরং এমন উদ্যোগের চেষ্টা করলে নতুন করে হামলার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
তবু নিবন্ধের মূল যুক্তি হলো, ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে অস্ত্র তৈরির পর্যায়ে যেতে না দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত সামরিক অভিযান উল্টো সেই পথের সমর্থকদের রাজনৈতিক প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে। সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করার পাশাপাশি পরমাণু অস্ত্র অর্জনের প্রণোদনাও শক্তিশালী হতে পারে। স্বল্পমেয়াদি সামরিক সাফল্য তাই দীর্ঘমেয়াদে পরমাণু অস্ত্র বিস্তার ঠেকানোর সমস্যার সমাধান করে না।
এক্ষেত্রে ইসরায়েলের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির সরকার ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনকে নতুন হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে আবারও তা দমনের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রকে একই সঙ্গে আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ব্যয় এবং সংঘাতের অবসান ঘটানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে হবে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যকে পুরোপুরি অভিন্ন ধরে নিলে ইরানের প্রতিটি পুনর্গঠন প্রচেষ্টাই ওয়াশিংটনের নতুন সামরিক হস্তক্ষেপের দাবিতে পরিণত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এমন একটি সমাধান প্রয়োজন, যেখানে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর যাচাইযোগ্য সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি হামলার ঝুঁকি বিশ্বাসযোগ্যভাবে কমানোর ব্যবস্থা থাকবে এবং দেশটির পুনর্গঠনের বাস্তব সুযোগ তৈরি হবে। তেহরান যদি কেবল সাময়িক বিরতির প্রতিশ্রুতি পায়, তাহলে পরমাণু অস্ত্রের মাধ্যমে প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলার পক্ষে থাকা ব্যক্তিদের যুক্তি দুর্বল হবে না। বিপরীতে, ইরানের জন্য টেকসই অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হলে দেশটির নীতিনির্ধারকদের হিসাব বদলাতে পারে।
নিবন্ধের উপসংহারে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাব বজায় রাখতে হলে একটি ব্যর্থ যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং বৈশ্বিক অবস্থান হারিয়ে ফেলার মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। শুধু ইরানের আত্মসমর্পণকেই মার্কিন বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার শর্ত হিসেবে দেখলে ওয়াশিংটন নিজেই ক্রমবর্ধমান ব্যয়বহুল সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ সংকুচিত করবে। তৃতীয় দফার হামলার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, এটি প্রমাণের জন্য আবার যুদ্ধে জড়াবে, আর ইরান বারবার হামলার অভিজ্ঞতা থেকে আক্রমণের মূল্য স্থায়ীভাবে বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে। শেষ পর্যন্ত আধিপত্য রক্ষার এই জুয়া ইরানের পরমাণু অস্ত্র অর্জনের প্রণোদনা কমানোর বদলে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
জেডি ভ্যান্সের চিঠির জবাব দেননি মোহসেন রেজাই
আরব ভোটের শক্তিতে ভয় পাচ্ছেন নেতানিয়াহু: জয়েন্ট লিস্ট
ক্যালিফোর্নিয়ায় ভোটে হস্তক্ষেপের চেষ্টার অভিযোগ নাকচ ট্রাম্প প্রশাসনের
নেতানিয়াহু বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর বয়ান তৈরিতে অভ্যস্ত: আইজেনকট
কাতারের অর্থায়নে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার আব্বাসের
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ইরান: নাঈম কাসেম
হরমুজে নৌমাইনের আঘাতে ৩ ট্যাংকারে আগুন