নিরাপত্তাকর্মী ও নেপালি গাইডের সতর্কতা উপেক্ষা করে দুর্গম এলাকায় যাওয়ার পর বিপাকে পড়েন তাঁরা; উদ্ধারে আসছে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার
নেপালের গভীরতম হ্রদ শে-ফোকসুন্ডো লেকসংলগ্ন এলাকায় ভারী তুষারপাতের কারণে ছয় ভারতীয় পর্যটক আটকা পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন নারী। শনিবার বিকেল থেকে তাঁরা সেখানে আটকে রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে নিরাপত্তাকর্মীরা অভিযান চালাচ্ছেন বলে রোববার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
দোলপা জেলার প্রধান জেলা কর্মকর্তা জুনু ধাকাল জানান, পর্যটকেরা শে-ফোকসুন্ডো গ্রামীণ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধো এলাকায় গিয়েছিলেন। ভারী তুষারপাতের কারণে এলাকাটি বরফে ঢেকে গেছে।
শে-ফোকসুন্ডো হ্রদটি ওই গ্রামীণ পৌরসভায় অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হ্রদটির আনুমানিক গভীরতা ১৪৫ মিটার। এটি নেপালের গভীরতম হ্রদ।
ধাকাল বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ‘তাঁরা যে এলাকায় আটকা পড়েছেন, সেটি আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। তাঁদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার আসছে। আশা করছি, দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে।’
তিনি জানান, নিরাপত্তাকর্মী এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা নেপালি গাইডের সতর্কতা সত্ত্বেও ভারতীয় পর্যটকেরা ওই এলাকায় প্রবেশ করেছিলেন।
ধাকালের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারী তুষারপাতের মধ্যে পর্যটকেরা গাইডকে রেখে হ্রদ এলাকার দিকে এগিয়ে যান। শনিবার রাতে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
শনিবার সন্ধ্যায় ওই গাইড দোলপা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে জানান, ভারী তুষারপাতের কারণে পর্যটকেরা আটকা পড়ে থাকতে পারেন। তবে রোববার সকালে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ধাকাল স্পষ্ট করে বলেন, ‘তাঁদের নিখোঁজ বলা যাবে না, কারণ তাঁরা যে এলাকায় আটকা পড়েছেন, সেটি আমরা শনাক্ত করেছি।’
দোলপা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পর্যটকদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন—মৌমিতা হালদার, পিয়ালি কোলে, জাজলা ত্রিবেদী কুমার, আদিত্য সিংহ, ডিপলিনা বিশ্বাস ও রাজেশ দে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযানের জন্য নিরাপত্তাকর্মীদের মোতায়েন করা হচ্ছে। শিগগিরই একটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সাজেক সড়কে পাল্টাপাল্টি অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু ইস্যুতে আলোচনায় বসার কোনো ইচ্ছা নেই ইরানের: নিকজাদ
শ্রমিক বিক্ষোভের মাঝে গাজীপুরে ঝুট গুদামে আগুন