সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়লো, অন্য পেশার মানুষের জীবন চলবে কীভাবে?

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম

নতুন পে স্কেলে আজ বর্ধিত বেতন ও বকেয়া পেলেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কিন্তু একই দিনে পোশাকশ্রমিকদের দাবি মাসে ৩০ হাজার টাকা, অথচ তাঁদের বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার কম—চাপ বাড়ছে বেসরকারি চাকরিজীবী, শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনেও। প্রশ্ন উঠছে, রাষ্ট্রের এক অংশের আয় বাড়লেও অন্য অংশের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সামলানোর ব্যবস্থা কোথায়?

রোববার, ১ নভেম্বর। সকাল ১০টার পর অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মোবাইল ফোনে বেতন জমার বার্তা আসতে শুরু করে। নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বর্ধিত বেতন এবং জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বকেয়া অর্থও তাঁদের হিসাবে জমা হয়েছে। দীর্ঘ ১১ বছর পর নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পেয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের অনেকের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ১ নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী এবং ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক নতুন কাঠামোর আওতায় বর্ধিত অর্থ পেয়েছেন। তবে যাঁদের বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া শেষ হয়নি, তাঁদের কেউ কেউ এখনো টাকা পাননি।

নতুন কাঠামোয় সরকারি চাকরির ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন বাড়ানো হয়েছে। প্রথম ধাপে নবম গ্রেড ও তার ওপরের কর্মকর্তারা বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে বিংশ গ্রেডের কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ সুবিধা পাচ্ছেন। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে এই হার আরও বাড়বে। পূর্ণ বর্ধিত মূল বেতন কার্যকর হবে ২০২৭ সালের ১ জুলাই। নতুন ভাতার হার কার্যকর হওয়ার কথা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে তাঁদের জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে সহায়ক হতে পারে। কিন্তু এই বেতনবৃদ্ধির খবরের পাশাপাশি দেশের অন্য পেশার মানুষের আয়, মজুরি ও জীবনযাত্রার বাস্তবতা সামনে আনলে দেখা যায়, অর্থনৈতিক স্বস্তির চিত্রটি সবার জন্য এক নয়।

সরকারি কর্মচারীরা যখন নতুন বেতনের অর্থ হাতে পেয়েছেন, ঠিক সেদিনই দেশের প্রধান রপ্তানি আয়ের খাত তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

১ নভেম্বর শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণে ছয় সদস্যের নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। অর্থাৎ বর্তমান ন্যূনতম মজুরির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ দাবি করছেন তাঁরা।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। ঢাকায় পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে। গাজীপুরে শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। সংঘর্ষ ও অস্থিরতার মধ্যে কারখানা মালিকেরা ২৫ থেকে ৩০টি কারখানা বন্ধ রেখেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পোশাকশিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এ শিল্প থেকে। অথচ এই শিল্পের বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের ন্যূনতম মাসিক আয় এখনো ১২ হাজার ৫০০ টাকা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, ১৯৮৪ সালে পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ছিল ৬২৭ টাকা। চার দশক পর তা বেড়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। নামমাত্র অঙ্কে বৃদ্ধি বড় মনে হলেও এই সময়ের মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিলে প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতার চিত্র আলাদা।

শুধু পোশাকশ্রমিক নন, কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের স্বল্প বেতনের শ্রমজীবী মানুষের আয়ও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না।

বিবিএসের মজুরি হার সূচক (Wage Rate Index) অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে দেশের মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। অথচ একই মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধির তুলনায় পণ্য ও সেবার দাম বেড়েছে বেশি।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা ৫৬ মাস ধরে দেশের মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে রয়েছে। কৃষি, শিল্প ও সেবা—তিনটি প্রধান খাতেই মজুরি বৃদ্ধির গতি কমেছে।

এর সরল অর্থ হলো, একজন শ্রমিকের বেতন আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও সেই অর্থ দিয়ে আগের মতো পণ্য ও সেবা কেনা যাচ্ছে না। বাজারে চাল, ডাল, তেল, মাছ, মাংস, শাকসবজি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াতের ব্যয় বাড়লে আয়ের প্রকৃত মূল্য কমে যায়।

বিবিএসের মজুরি সূচকটি কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের ৬৩টি পেশার স্বল্প বেতনের দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের মজুরি পর্যবেক্ষণ করে। তাই এটি দেশের সব বেসরকারি চাকরিজীবী বা পেশাজীবীর বেতনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। তবে শ্রমবাজারের নিম্ন আয়ের অংশে চাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়।

শ্রমজীবী মানুষের বাস্তবতা আরও স্পষ্ট হয়েছে দ্য ডেইলি স্টারের ২০২৬ সালের ২৭ অক্টোবর প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে। সেখানে উৎপাদন পর্যায়ের শ্রমিকদের ওপর পরিচালিত একটি জরিপের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

জরিপে দেখা যায়, উৎপাদন পর্যায়ের শ্রমিকদের গড় মূল বেতন প্রায় ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অতিরিক্ত কাজ ও বোনাস যোগ হলে মাসিক আয় দাঁড়ায় গড়ে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ শ্রমিকদের প্রত্যাশিত মাসিক বেতন গড়ে প্রায় ২৩ হাজার টাকা।

স্বামী-স্ত্রী বা পরিবারের অন্য সদস্যদের আয় যোগ করেও জরিপে পাওয়া গড় পারিবারিক আয় ছিল প্রায় ২৩ হাজার ৯০০ টাকা। শহরে চার সদস্যের একটি পরিবারের দারিদ্র্যসীমার ওপরে থাকতে মাসে আনুমানিক ১৯ হাজার ৮০০ টাকা প্রয়োজন বলে ওই বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া উৎপাদনশ্রমিকদের প্রায় ২৮ শতাংশের পরিবার উচ্চ দারিদ্র্যসীমার নিচে এবং ৮ শতাংশের পরিবার চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে ছিল।

এই তথ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা সামনে আনে—কারখানায় নিয়মিত কাজ করলেই একটি পরিবার আর্থিক নিরাপত্তা পাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। পরিবারের কারও অসুস্থতা, কাজ হারানো কিংবা হঠাৎ বড় কোনো ব্যয় পুরো সংসারকে আবার দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে ঠেলে দিতে পারে।

সরকারি চাকরিতে নির্দিষ্ট গ্রেড, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, ভাতা ও পেনশনের কাঠামো রয়েছে। কিন্তু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সবার জন্য একই ধরনের জাতীয় বেতন কাঠামো নেই।

ব্যাংক, বিমা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও ছোট ব্যবসায় কর্মরত মানুষের বেতন নির্ভর করে প্রতিষ্ঠান, পেশা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নিয়োগনীতির ওপর। কোথাও নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়, কোথাও তা অনিয়মিত; আবার অনেক প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের বেতন বাড়লেও বাজারদরের তুলনায় তা যথেষ্ট হয় না।

বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রে চাকরির অনিশ্চয়তা, সীমিত বেতন, চিকিৎসা সুবিধার অভাব এবং ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের অনিশ্চয়তা বড় সমস্যা। অনেক কর্মী পরিবারের ব্যয় সামলাতে অতিরিক্ত কাজ, টিউশনি কিংবা পার্টটাইম পেশার ওপর নির্ভর করেন।

তবে সব বেসরকারি চাকরিজীবীর আয় একই রকম নয়। উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবী, বড় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং নিম্ন বেতনের কর্মীদের আর্থিক বাস্তবতা এক নয়। তাই তাঁদের সমস্যা বুঝতে পেশাভিত্তিক বেতন, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যয়ের তথ্য আলাদাভাবে দেখা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের শ্রমবাজারের আরেকটি বড় বাস্তবতা হলো অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান। বিবিএসের শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট কর্মরত মানুষের ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত ছিলেন। সংখ্যায় যা প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ ৪০ হাজার মানুষ।

এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অনেকেরই নির্দিষ্ট মাসিক বেতন, নিয়োগপত্র, নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট, পেনশন কিংবা সামাজিক সুরক্ষার নিশ্চয়তা নেই। রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, হকার, গৃহকর্মী, পরিবহনশ্রমিক ও বিভিন্ন অস্থায়ী পেশার মানুষের আয় প্রতিদিনের কাজ ও বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।

কাজ না থাকলে আয় নেই। অসুস্থ হলে উপার্জন বন্ধ। আবার দ্রব্যমূল্য বাড়লেও তাঁদের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মজুরি বাড়ে না। ফলে মূল্যস্ফীতির ধাক্কা তাঁদের ওপর সরাসরি পড়ে।

সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি প্রয়োজনীয় হতে পারে। দীর্ঘ সময় পর বেতন কাঠামো সংশোধন তাঁদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কর্মপ্রেরণা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু দেশের অর্থনীতি শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের নিয়ে গঠিত নয়। বেসরকারি চাকরিজীবী, শ্রমিক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, পরিবহনকর্মী, গৃহকর্মী ও অনানুষ্ঠানিক খাতের কোটি কোটি মানুষের জীবনমানও সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত।

প্রথমত, বেসরকারি খাতের বিভিন্ন পেশায় বাস্তব জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতন ও মজুরি নির্ধারণে কার্যকর নীতি প্রয়োজন।

দ্বিতীয়ত, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু শিল্পের সক্ষমতা নয়, খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতের প্রকৃত ব্যয় বিবেচনায় নিতে হবে।

তৃতীয়ত, অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্যোগকালীন সহায়তা সম্প্রসারণ জরুরি।

চতুর্থত, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বেতন ও মজুরি বাড়িয়েও মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হবে।

পঞ্চমত, নিয়মিত বেতন পর্যালোচনা ও শ্রমিক-মালিক-সরকারের মধ্যে কার্যকর আলোচনার ব্যবস্থা থাকতে হবে, যাতে মজুরি নির্ধারণ নিয়ে সংকট তৈরি হওয়ার আগেই সমাধানের পথ বের করা যায়।

বেতন বাড়লেই কি জীবন বদলায়?

সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন পাওয়া নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কিন্তু একই সময়ে যখন পোশাকশ্রমিকেরা ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করছেন, তখন বিষয়টি শুধু একটি পেশার বেতনবৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি দেশের আয়বৈষম্য, শ্রমবাজারের বাস্তবতা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রশ্ন সামনে আনে।

একজন সরকারি কর্মচারী নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর আওতায় বর্ধিত বেতন পেলেন। অন্যদিকে একজন পোশাকশ্রমিককে সেই বেতন পাওয়ার জন্য নতুন করে মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। একজন বেসরকারি চাকরিজীবীর বেতন বাড়বে কি না, তা নির্ভর করছে তাঁর প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তের ওপর। আর একজন দিনমজুরের আয় নির্ভর করছে পরদিন কাজ পাবেন কি না, তার ওপর।

অর্থনীতির প্রকৃত অগ্রগতি তখনই মানুষের জীবনে প্রতিফলিত হবে, যখন আয় বৃদ্ধির সুযোগ শুধু একটি নির্দিষ্ট পেশা বা শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতের ব্যয় মিটিয়ে প্রত্যেক কর্মজীবী মানুষ যেন সম্মানজনক জীবনযাপন করতে পারেন, সেই নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে।

এএইচএ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত