হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে নিষিদ্ধ নৌপথ অতিক্রমের চেষ্টার অভিযোগে চারটি তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংস এবং আরও দুটি জাহাজ আটক করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বুধবার (৪ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানায়, সামুদ্রিক চলাচলে আরোপিত বিধিনিষেধ অমান্য করে ওই নৌপথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল ট্যাংকারগুলো।
আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, নিষিদ্ধ পথ অতিক্রমের সময় চারটি ট্যাংকার নৌমাইনে আঘাত হানে। এতে সেগুলোতে আগুন ধরে যায়। বিবৃতি প্রকাশের সময়ও জাহাজগুলো আগুনে জ্বলছিল বলে দাবি করা হয়েছে। একই বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও দুটি জাহাজের চলাচল আটকে দেওয়া হয়েছে বলে জানায় বাহিনীটি।
ইরানে ‘ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের’ ২৪৮তম রাত পালনের সময় আইআরজিসির নৌ ও মহাকাশ বাহিনী এসব অভিযান চালিয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে ধ্বংস হওয়া ট্যাংকারগুলোর নাম, মালিকানা, জাতীয়তা কিংবা জাহাজে থাকা পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এ ছাড়া ঘটনাগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের অবস্থানও তুলে ধরেছে প্রেস টিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় তেহরান। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনে ৬০ দিনের জন্য নৌপথটি খুলে দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ইরান আবারও চলাচল বন্ধ করে দেয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য সাতটি পূর্বশর্ত দিয়েছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে সব রণাঙ্গনে আগ্রাসন বন্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং জব্দ করা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা। সূত্র: ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি
ইরান বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম শক্তি: জেনারেল আবদোল্লাহি
মার্কিন হামলার হুমকির মধ্যেই ইরানে ‘বিশ্ব আধিপত্যবিরোধী’ সমাবেশ
মধ্যবর্তী নির্বাচনে তেহরান রিপাবলিকানদের হারিয়েছে: ইরান