হাঙ্গেরির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রোমুলুস রুসিন-সেন্দি শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জানিয়েছেন, বোমা হামলার হুমকির পর ব্রাসেলস থেকে সোফিয়াগামী একটি এয়ারবাস এ৩২১ বিমানকে যুদ্ধবিমানে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। উড়ান চলাকালেই হুমকির খবর আসে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য, আরও দুটি ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর একটি প্রাগ থেকে সাইপ্রাসগামী, অন্যটি বুখারেস্টগামী। দুটি বিমানেই বোমা থাকার খবর আসার পর যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়।
বেসামরিক বিমান চলাচলের সুরক্ষায় নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই এসব পদক্ষেপ, বলছে হাঙ্গেরি। কয়েকটি ফ্লাইটে বিস্ফোরক থাকার সম্ভাব্য হুমকির খবর আসার পরই এই ব্যবস্থা। তবে হুমকি কীভাবে এসেছিল কিংবা বিমানগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় নামে, সে বিষয়ে প্রাথমিক বিবরণে কিছু জানানো হয়নি।
ইউরোপে সম্প্রতি এ ধরনের ঘটনা বেড়েছে। গত সোমবার, ২ নভেম্বর লন্ডনের লুটন থেকে সোফিয়াগামী উইজ এয়ারের একটি এ৩২১নিও বিমানে উড়ান চলাকালে বোমার হুমকি আসে। বিমানটি তখন বসনিয়া-হারজেগোভিনার আকাশে। পরে সেটিকে বুদাপেস্টের লিস্ট ফেরেনৎস বিমানবন্দরে নামানো হয়। হাঙ্গেরির বিমানবাহিনীর গ্রিপেন যুদ্ধবিমান পুরো পথে বিমানটিকে পাহারা দেয়। অবতরণের পর বিমান ও যাত্রীদের তল্লাশিতে সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলে একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসেছে।
আরও আগে, ১৮ অক্টোবর অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইনসের তেল আবিব-ভিয়েনা ফ্লাইট ওএস৮২-এ হুমকি আসে। বুলগেরিয়ার বিমানবাহিনীর একটি মিগ-২৯ তখন বিমানটিকে সোফিয়ায় নিয়ে যায়। বুলগেরীয় গণমাধ্যমের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, ইসরায়েল থেকে আসা আরেকটি ফ্লাইটও ইমেইলে হুমকি পাওয়ার পর সোফিয়ায় নামে। সন্ত্রাসবিরোধী দল সেটি পরীক্ষা করে।
কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একাধিক ফ্লাইটে একই ধরনের হুমকি আসায় ইউরোপের বিমান চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সামরিক বিমান পাঠিয়ে যাত্রীবাহী বিমানকে নিরাপদে নামানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
রোববার নেতানিয়াহুর বিদায় ঘণ্টা!
ফের হামলা হলে বিশ্বজুড়ে মার্কিন সম্পদ নিশানায়: মোহাম্মদ আকরামিনিয়া