যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা চালালে ভৌগোলিক কোনো সীমারেখা মানা হবে না। বিশ্বের যেখানেই মার্কিন সম্পদ থাকুক, সেটিই ইরানের লক্ষ্যবস্তু হবে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। আল জাজিরার বরাতে খবরটি জানা গেছে।
মুখপাত্রের ভাষ্য, ‘মার্কিন শত্রুর’ সব সম্পদই তাঁদের নিশানায় থাকবে।
এই হুঁশিয়ারির পেছনে ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রেক্ষাপট আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ‘বাকি অংশও’ গুঁড়িয়ে দিতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে পুনর্গঠনে ২৫ বছর লাগবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। পদক্ষেপ নিলে মানুষ ‘শিগগিরই জানতে পারবে’, এ কথাও বলেছেন ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে আরও বিস্তারিত এসেছে। প্রতিবেদনটির বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানে নতুন করে হামলার পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই বড় ধরনের অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের টিকে থাকা পারমাণবিক স্থাপনা, জ্বালানি ও অবকাঠামো।
এ সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা খেয়েছে। যুদ্ধ ঘিরে তাই মার্কিন রাজনীতিতেও চাপ বাড়ছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমছে না। শুক্রবার ইরানের বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, প্রণালিতে আরও দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লেগেছে। আগের দিন পাঁচটি ট্যাংকারের একই পরিণতির কথা বলেছিল তেহরান।
কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। কাতারের আমির ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে মধ্যস্থতা নিয়ে কথা বলেছেন। এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
মার্কিন রণতরীকে হাজার কিলোমিটার পিছু হটতে বাধ্য করেছি: আলী ফাদাভি
'প্রতিরোধ সক্ষমতা এমন পর্যায়ে নিতে হবে যেন ইরানে হামলার কথা চিন্তাও করতে না পারে'