তুরস্ক-পাকিস্তান-সৌদি জোটে নতুন সদস্যের দরজা খোলা: তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম

শান্তির প্রশ্নে একই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে, এমন আঞ্চলিক দেশগুলোর জন্য মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের দরজা খোলা। এমনটাই জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করতে এই জোট গড়েছে। প্রতিরোধ-সক্ষমতা বাড়িয়ে সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোই উদ্দেশ্য। আনাদোলু এজেন্সির বরাতে খবরটি জানা গেছে।

আনাদোলুর মাসিক ম্যাগাজিন ‘এএ ব্রিফিং’-এর নভেম্বর সংখ্যায় একটি নিবন্ধ লিখেছেন ফিদান। শিরোনাম, ‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে আঞ্চলিক মালিকানার ভূমিকা: মক্কা প্রতিরক্ষা জোট’। সেখানেই এসব কথা তুলে ধরেন তিনি।

ফিদানের ভাষ্য, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি করার কারণ, তিন দেশেরই বিশ্বাস ‘আঞ্চলিক সমস্যার সমাধান আঞ্চলিক পর্যায়েই হওয়া উচিত’। জোটের মূল লক্ষ্য প্রতিরোধ-সক্ষমতা জোরদার করে অঞ্চলের স্থিতিশীলতায় অবদান রাখা।

বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর মতে, বিশ্ব শাসনব্যবস্থা এখন অস্থির সময় পার করছে। মধ্যপ্রাচ্য রয়েছে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের কেন্দ্রে।

নিবন্ধে ফিদান লেখেন, ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোট আমাদের কৌশলগত পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকারগুলোর মিলনস্থলে অবস্থান করছে।’ তাঁর হিসাবে, সেই অগ্রাধিকার চারটি। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদার করা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে সহায়তা, পররাষ্ট্রসম্পর্কের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বিস্তৃত করা এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার রূপান্তরে ভূমিকা রাখা।

নতুন সদস্য হতে ইচ্ছুক কোনো দেশের নাম নিবন্ধে নেই। কোন কোন দেশ জোটে যোগ দিতে পারে, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট কিছু জানাননি ফিদান।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনার মধ্যেই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আঞ্চলিক দেশগুলোর আলোচনা বাড়ছে। এই সংঘাতে পাকিস্তানও কূটনৈতিক মধ্যস্থতায় সক্রিয়। এপ্রিলে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করেছিল দেশটি।

এটিটিআর
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত