ইরানের হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের আগের প্রেসিডেন্টদের মতো বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প—এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
শুক্রবার মার-আ-লাগোতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, আগের একাধিক প্রেসিডেন্টের মতো ইরান ইস্যু পরবর্তী প্রশাসনের জন্য রেখে দেওয়া ট্রাম্পের জন্য সহজ ছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি।
রুবিও বলেন, ‘আগের একাধিক প্রেসিডেন্ট যা করেছেন, অর্থাৎ ইরান সমস্যাকে উপেক্ষা করে পরবর্তী প্রেসিডেন্টের জন্য রেখে দেওয়া—এই প্রেসিডেন্টের পক্ষেও তা করা খুব সহজ ছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি এই হুমকির মোকাবিলা করেছেন।’
ইরান শুধু যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে চায় না, বরং দেশটির জীবনযাপন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও হুমকি সৃষ্টি করছে বলে দাবি করেন রুবিও।
তিনি বলেন, ‘এমন একটি বিশ্বে আমরা বসবাস করতে পারি না, যেখানে পৃথিবীর সবচেয়ে উগ্র ও সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থার হাতে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকবে।’
ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ায় ট্রাম্পের প্রশংসা করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট আমেরিকার জনগণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেই কাজ করেছেন।
রুবিওর বক্তব্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। তেহরান বরাবরই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করে আসছে।
সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্য
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যা করতে ওয়াশিংটনে রনি!
প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট পেনিয়াকে অভিশংসন, গৃহবন্দি
হুথি শাসনে বেড়ে উঠছে ইয়েমেনের একটি প্রজন্ম, শিশুদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে যুদ্ধে