ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যা করতে ওয়াশিংটনে রনি!

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটনে এসেছেন—মাথার ভেতর এমন নির্দেশদাতা কণ্ঠস্বর শুনতে পাওয়ার দাবি করেছেন এক ব্যক্তি। হোয়াইট হাউসের কাছ থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলিসহ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস।

বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হোয়াইট হাউসের কাছে পার্ক করা একটি গাড়িতে সন্দেহজনক আচরণ করতে দেখে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা ওই ব্যক্তির কাছে যান। তার নাম রনি ইওর্ডরিক্স গুয়ানিপা ক্রিনোস (Ronny Yordrix Guanipa Chrinos)।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি জানান, মাথার ভেতর কিছু কণ্ঠস্বর তাকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে এসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যা করতে বলছিল। পরে কর্মকর্তারা ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কয়েক ডজন গুলি পান। গাড়িটি চুরি করা বলে অভিযোগ রয়েছে।

ডিএইচএস জানিয়েছে, ক্রিনোস ভেনেজুয়েলার নাগরিক। তিনি ২০২৪ সালের মার্চে টেক্সাস দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন এবং বর্তমানে দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন বলে বিভাগের দাবি। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ইউএস মার্শালস সার্ভিসের হেফাজতে রয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী মার্কওয়েন মুলিন এক বিবৃতিতে বলেন, সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের তৎপরতায় তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ওই ব্যক্তিকে হোয়াইট হাউসের কাছে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এতে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়ানো গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ ঘটনায় হোয়াইট হাউস সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তারা মন্তব্যের জন্য ডিএইচএস ও সিক্রেট সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছে।

ট্রাম্প গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সিক্রেট সার্ভিসসহ যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সূত্র: মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ও সিক্রেট সার্ভিসের বিবৃতি

এমএজেড
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত