সদ্য কলকাতায় বামেদের বুক স্টল ভাঙচুর নিয়ে সরব হয়েছে নানান মহল। এবার মুর্শিদাবাদের মাটিতে পা রেখে সেই ইস্যুতে সরব হলেন রাজ্যের বিজেপি সরকারের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। এদিন বুক স্টল ভাঙা ইস্যুতে মুর্শিদাবাদে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বক্তব্য রাখেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি সেখানকার বাম দলের লোকজনকে বাংলেদেশে চলে যাওয়ার জন্যই বলেন।
রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, ‘কেউ বাধা দেয়নি। নিজেরা গন্ডগোল করে খবরে আসার চেষ্টা করছেন। এই যে বামপন্থীরা, তাদের বুক স্টলে কে বই পড়ে? তারা নিজেরাও পড়ে না। সাধারণ মানুষও পড়ে না।’ একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ওরকম মিউজিয়াম করে রেখে কী লাভ। আমার তো মনে আছে আমি ৪০ থেকে ৪৫ বছর রাষ্ট্রীয় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। জাতীয়তবাদী বুক স্টল করতে গেলে একটা বাঁশ পর্যন্ত পুঁততে দিত না। কোনদিন একটা স্টল করতে দেয়নি। আজ এসব কথা বলছে।’ এরপরও খোঁচার সুর চড়া করেন দিলীপ ঘোষ।
বাম ইস্যুতে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কিছু অতি প্রগতিশীল হালকা রঙের লাল যারা, তারা এখন তাদের সাপোর্ট করছেন।’ তার প্রশ্ন, ‘যখন সারা দুনিয়ার লোক বামেদের ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন, তখন কেন তাদের মিউজিয়ামে রাখা হয়েছে?..ওদের প্রতি কোনও মায়া-মমতা নেই।’তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘সারা দুনিয়ার লোক তাদের উপড়ে ফেলে দিয়েছে। আমরা কেন ওদের মিউজিয়ামে রাখব?’ এরপরই দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ‘যেখানে জায়গা আছে, বাংলাদেশে চলে যাক।’
এর আগে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে উদযাপন ঘিরে কালীঘাটে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ঘিরে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছিলেন, ‘জন্মদিন পালন করছে এত বড় নেতা... তো হোটেলে হল নিয়ে করতে পারে। রাস্তায় ফুটপাতে যদি করেন তো কিছু প্রতিক্রিয়া হয়েছে হয় তো, কী হয়েছে আমি তো ঘটনা জানি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আর আমাকে মারার চেষ্টা হচ্ছে ... খুন করার চেষ্টা হচ্ছে ... এগুলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো ডায়লগ। মানুষ যখন হেরে যায়, যখন পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়, তখন মানুষ এমন কথা বলে।’
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা কেপি গভর্নরের
ইসরাইলকে অন্ধ সমর্থনেই রিপাবলিকানদের ভরাডুবি