ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, আখাউড়া ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে কসবা, দুপুরে আখাউড়া ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ওই তিন শিশুর লাশ উদ্ধার হয়।
মৃত তিন শিমু হলো- তাহসিন ইসলাম নূর(৭), ইব্রাহিম মিয়া(১০) ও ২০ মাস বয়সি জান্নাত।
বৃহস্পতিবার সকালে কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের একটি মসজিদের পুকুর থেকে তাহসিন ইসলাম নূরের লাশ উদ্ধার হয়। তাহসিন টানমান্দাইল গ্রামের খায়রুল ইসলাম বাবুর ছেলে। মাকে নিয়ে শিশুটি মামার বাড়ি ধর্মপুর গ্রামে বেড়াতে যায়। বুধবার সকাল ১০টার পর থেকেই তার কোন খোঁজ মিলছিলো না। একারণে সন্ধ্যায় কসবা থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে ওই পুকুরে তার মরদেহ ভেসে ওঠে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল কাদের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে আখাউড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২০ মাস বয়সি জান্নাত নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত জান্নাত ওই গ্রামের সাগর মিয়ার মেয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা কুদ্দুস মিয়া জানান, পুকুর পাড়ের একটি ঘরে ভাড়া থাকে জান্নাতের পরিবার। বাড়ি থেকে কোন এক সময় সে পানিতে পড়ে। খোজাখুজি করে তার লাশ উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. জান্নাতুল মাওয়া জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ভেসে উঠার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া তার আগেই শিশুটি মারা যায়।
অপরদিকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের ঢোলভাঙ্গা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের তিনদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে ইব্রাহিম মিয়ার লাশ ভেসে উঠে। ইব্রাহিম মিয়া উপজেলা সদরের আমান উল্লাহ ভূইয়ার ছেলে। সে বাঞ্ছারামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলো।
