বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ভোটারদের লাইন

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৯ এএম

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোট দিচ্ছেন দেশের মানুষ। একই সঙ্গে গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনার প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোট দিয়ে মত জানাচ্ছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও তার অনেক আগেই ভোটকেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়ান ভোটাররা। ভোরের আলো ফোটার আগেই রাজধানীর ব্নশ্রী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ফজরের নামাজ শেষ করে অনেকেই ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নেন।

দীর্ঘ সময় ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারার অভিজ্ঞতা ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের মুখে-মুখে ছিল ভোট দেওয়ার আগ্রহের কথা। অনেকে বলছিলেন, এত বছর পর নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারাটাই তাদের কাছে বড় বিষয়। কারো চোখেমুখে ছিল উত্তেজনা, কারো মধ্যে চাপা আবেগ, আবার কারও কণ্ঠে শোনা গেছে স্বস্তির সুর।

ভোটারদের এমন উপস্থিতি ও অপেক্ষা তাদের আগ্রহেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার পর এবারের নির্বাচনকে মানুষ একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এবারের এই নির্বাচন গতানুগতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নয়। শেষ পর্যন্ত একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে এটি হতে পারে গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রথম ধাপ। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে তা হবে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের সূচনা।

ভোটারদের একটি বড় অংশই বিগত নির্বাচনগুলোতে ভোট দিতে পারেনি। যার কারণে এবার ভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা রয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে ভোটের প্রচারও ছিল শান্তিপূর্ণ।

ভোটের দিন দায়িত্ব পালন করবেন সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবিসহ বিভিন্ন বাহিনীর সাড়ে ৯ লাখের বেশি সদস্য। ভোট দেওয়ার জন্য দুই দিন ধরে বিপুলসংখ্যক মানুষকে উৎসবমুখর পরিবেশে বাস, লঞ্চ, ট্রেনে গ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়তে দেখা যায়।

AHA
আরও পড়ুন