ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৬০ কিমি যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ

আপডেট : ২৭ মে ২০২৬, ১১:২৮ এএম

টানা বর্ষণ এবং মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ার কারণে ঈদের একদম শেষ মূহূর্তের ঘরমুখী মানুষের যাত্রায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বাড়ি ফিরতে গিয়ে চরম ভোগান্তি ও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার যাত্রীকে। দীর্ঘ এই যানবাহনের জটলা ঠেলে যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। তবে ধীরগতিতে হলেও কোনোমতে বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু পার হতে পারলেই কেবল মিলছে স্বস্তির দেখা।

বুধবার (২৭ মে) সকালে বিভিন্ন এলাকার সংবাদদাতাদের পাঠানো মাঠপর্যায়ের খবরের ভিত্তিতে জানা যায়, গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা থেকে শুরু করে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা হয়ে যমুনা সেতুর মাঝামাঝি পর্যন্ত বিস্তৃত এই ৬০ কিলোমিটার মহাসড়ক এখন এক প্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে।

গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার গাজীপুরের অধিকাংশ শিল্পকারখানায় ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ভোগড়া থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট দেখা দেয়। রাতভর ভোগান্তির পর বুধবার ভোর থেকে কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে মহাসড়কটি। হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, গাজীপুরে কর্মরত প্রায় ৩০ লাখ মানুষ ইতোমধ্যে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

এদিকে বুধবার সকালে টাঙ্গাইল জেলার গোড়াই থেকে শুরু করে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে সড়কের বিভিন্নস্থানে জটলা ও কোথাও কোথাও সড়কের ওপর যানবাহন বিকল হওয়ায় উত্তরাঞ্চলমুখী তিন লেনের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি ট্রাক পিকআপে থাকা মানুষজন বৃষ্টিতে ভিজে জবুথবু হয়ে যাচ্ছেন। তীব্র যানজটের কারণে অনেকেই হাঁপিয়ে উঠছেন।

তবে সিরাজগঞ্জে সেতু পার হলে উত্তরের পথে আর কোনো ভোগান্তি নেই। যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজার পর থেকে সেতুর মধ্যবর্তী অংশ পর্যন্ত যানবাহন বিকল হওয়ায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

YA
আরও পড়ুন