দেশজুড়ে একযোগে শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন-২০২৬। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২টি শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) এর ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার প্রতিটি কেন্দ্রে শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সকাল ৮টা থেকে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়, যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
খবর সংযোগের প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদনে জানা গেছে -
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম)
উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থায়ী কেন্দ্রসহ মোট ৪৮০টি নির্ধারিত কেন্দ্র এবং বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পে একযোগে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম। এ সময় আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মুহাম্মদ কামরুল হাসানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিনে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ভোগান্তি দেখা যায়নি। স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা শিশুদের বয়স যাচাই করে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সীদের নীল রঙের (১ লাখ আইইউ) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সীদের লাল রঙের (২ লাখ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াচ্ছেন। ডা. মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম জানান, উপজেলার প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত ক্যাপসুল সরবরাহ করা হয়েছে এবং কোনো শিশু যেন এই সেবা থেকে বাদ না পড়ে, সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
রাঙামাটি
রাঙামাটি জেলায় এবার ১ হাজার ২৯৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ৮৬ হাজার ৬০৭ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সকালে সদর উপজেলার সাপছড়ি এলাকার মানিক লাল দেওয়ানের বাড়িতে এই ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. নুয়েন খীসা।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ১০ হাজার ৫৩৭ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ৭৫ হাজার ৩২৩ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য অতিরিক্ত এক হাজার ক্যাপসুল মজুত রাখা হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করতে জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে ২ হাজার ১৪ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং স্বাস্থ্য বিভাগের ২৮৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব হবে।
চুয়াডাঙ্গা :
চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বেলা সাড়ে ১০টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন।
চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা.হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিভিল সার্জন কাার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা.শামিমা ইয়াসমিন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা.খন্দকার ইমরান হাসিব এবং ইপিআই সুপারভাইজার রেহেনা খাতুনসহ স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা এবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সী মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৪৫ শিশুকে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবো। এরমধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ১৭ হাজার ৫৪১ শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১-৫ বছর বয়সী ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৫ মিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।
জেলার ৮৯৬টি আইটরিচ কেন্দ্রে শিশুদের একযোগে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ালে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।
সিংড়ায় বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা ও গাছের চারা বিতরণ
ফুলগাজীতে পিকআপ-অটো সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ নিহত ৩
পাগলা মসজিদের সিন্দুকে মিললো রেকর্ড পরিমাণ টাকা
ভুলে ফেলে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
টঙ্গীতে তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান মিরাজ মিয়ার
সুন্দরবনে ডাকাত দলের সঙ্গে কোস্টগার্ডের বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১, আটক ২
ট্রেনের ধাক্কায় গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু
পাগলা মসজিদের দান বাক্সে হাদী হত্যার বিচার চেয়ে চিরকুট