পটুয়াখালীর ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেবেন। প্রায় এক শতাব্দী ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে সংগতি রেখে রোজা রাখা ও ঈদ উদযাপনের এই রেওয়াজ পালন করে আসছেন তারা।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
বদরপুর দরবার শরীফের খাদেম মো. নাজমুল হোসেন জানান, ১৯২৮ সাল থেকে এখানকার গ্রামবাসীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে রোজা রাখেন এবং ঈদ উদযাপন করেন। সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামেই প্রায় দুই হাজার মানুষ এই আগাম ঈদ উদযাপন করবেন।
জেলার যেসব গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপিত হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- গলাচিপা উপজেলার সেনের হাওলা, পশুরী বুনিয়া, নিজ হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি; বাউফল উপজেলার মদনপুরা, রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, কনকদিয়া, আমিরাবাদ; কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া, ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া এবং দক্ষিণ দেবপুর।
আগাম ঈদ উদযাপনকারী এসব মানুষ সবাই হানিফি মাজহাব ও কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী। তাদের বর্তমান পীর হলেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হজরত শাহসুফি মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মমতাজ আলী।
শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার
