হস্তান্তরের আগেই নির্মাণাধীন এক প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়তে শুরু করেছে। পাশাপাশি বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ছে শ্রেণিকক্ষে। এতে ভবনের নির্মাণকাজের মান নিয়ে নানাপ্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একইসাথে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। ঘটনাটি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ৪ নং আগরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ চলমান। কাজ শেষ করে ভবনটি হস্তান্তরের আগেই ছাদের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা খসে পড়তে শুরু করেছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে পানি পড়ছে বলে অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি হাসনাত খান তরুণ ও প্রধানশিক্ষক কমল কৃষ্ণ দাস অভিযোগ করেন, তাদের না জানিয়ে রাতের আঁধারে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করেছেন। এছাড়া নিচতলার পুরোনো জানালা খুলে কক্ষে স্থাপন করে রং দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক কমল কৃষ্ণ দাস বলেন, নির্মাণকাজ যথাযথ নিয়ম মেনে ও সঠিকভাবে না করায় ছাদের পলেস্তরা খসে পড়তে শুরু করেছে। পাশাপাশি বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে পানি চুইয়ে শ্রেণিকক্ষে পড়ছে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভবনের ছাদে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ভবন নির্মাণকাজের তদারকি কর্মকর্তা (ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট) মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, দিনের বেলায় ছাদ ঢালাইয়ের কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্দেশনা অমান্য করে রাতে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
অভিযোগের ব্যাপারে ঠিকাদার শামীম হোসেন ও গোলাম মোর্শেদের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আকতার হোসেন বলেন, নির্মাণকাজে কোনোধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দুই যুবকের হাতে ইয়াবা দিয়ে ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ
গাজীপুরে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা