মেঘনা থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, আটক ৮

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

ভোলার সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে চারটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেডসহ আটজনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাতজনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আটক আটজনের মধ্যে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল পশ্চিম ইলিশা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালায়। এ সময় নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরত চারটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। সেখান থেকে আটজনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- ভোলার দুলারহাট থানার আহমদপুর গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রুবেল (২৭), বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার চর মিঠুয়া গ্রামের কাশেম গাজীর ছেলে রিপন (২৫), ভোলার ভেদুরিয়া গ্রামের বেলাল বকশির ছেলে নোমান মিয়া (২২), একই এলাকার সালাহউদ্দিনের ছেলে ইয়ামিন (১৬), ভোলার উত্তর ইলিশা গ্রামের ভাসানী মাঝির ছেলে মো. আব্বাস (৩৮), বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার শিয়ালগনি গ্রামের মকবুল হাওলাদারের ছেলে পরশ মনি হাওলাদার, বরিশাল কোতোয়ালি থানার বিমানবন্দর এলাকার রফিক হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার এবং একই থানার চন্দ্রমোহন এলাকার আব্দুল মজিদ খানের ছেলে মো. খলিল।

কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযানের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত চারটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেডের মালিকদের দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে সাতজনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় ইয়ামিনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীতীরবর্তী মানুষের ফসলি জমি ও বসতভিটা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। এ ধরনের ক্ষতি ঠেকাতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এমইউ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত