৬ মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স

আপডেট : ২৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৫ এএম

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানবাক্স (সিন্দুক) দীর্ঘ ৬ মাস পর খোলা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। দানবাক্সগুলো খোলার পর বর্তমানে চলছে বস্তায় টাকা বোঝাইয়ের কাজ।

সাধারণত প্রতি ৩ মাস পর পর এই দানবাক্সগুলো খোলা হলেও বিভিন্ন অনিবার্য কারণে এবার দীর্ঘ ৬ মাস পর সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছে। এ কারণে এবার নতুন করে বসানো হয়েছে আরও দুটি দানবাক্স।

বর্তমানে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সের মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পার্শ্ববর্তী জামিয়া এমদাদিয়া মাদরাসার ছাত্র এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় চার শতাধিক মানুষের একটি বিশাল দল সিন্দুক থেকে বের হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ গণনার কাজে অংশ নিচ্ছেন।

এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর, ৩ মাস ২৭ দিন পর যখন এই দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল, তখন রেকর্ড ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। নগদ টাকার পাশাপাশি সে সময় সিন্দুকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার এবং বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও জমা পড়েছিল। এবার সময় দ্বিগুণ হওয়ায় পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাগলা মসজিদের এই দানবাক্সগুলো খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসনা খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

YA
আরও পড়ুন