রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও বড় ভাইকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে নগরীর সেন্ট্রাল রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
প্রায় কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হন তারা।
রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও তার ভাই পার্থ দাসকে শনিবার বিকেলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পুলিশ তাদের কাছে জানতে চেয়েছে। গণমাধ্যমে তারা যে তথ্য দিয়েছেন, পুলিশকেও মূলত সেই বিষয়গুলো জানিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে নিজ বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় পরদিন দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) ও বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।
কিশোরগঞ্জে অটোরিকশাকে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, নিহত ৩
কাপ্তাইয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৬৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন