হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদ-নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর পানি আগামী ২৪ ঘণ্টায় সতর্কসীমার কাছাকাছি বা সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। ফলে নদী তীরবর্তী নিচু এলাকার কিছু অংশে সাময়িক জলাবদ্ধতা বা প্লাবন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত এক দিনে সিলেট বিভাগের মনু, খোয়াই ও ধলাই নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে। আবহাওয়া ও উজানের পানির প্রবাহের প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। তবে এরপর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়ে পরবর্তী দুই দিনে পানি কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

সিলেট অঞ্চলের আরেক গুরুত্বপূর্ণ নদী কুশিয়ারার পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। অন্যদিকে সুরমার পানি কিছুটা কমেছে। তবে আগামী দুই দিনে কুশিয়ারা ও সুরমা এই দুই নদীতেই পানির উচ্চতা আবার বাড়তে পারে। তৃতীয় দিনে পানির প্রবাহ স্থিতিশীল হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকাতেও পানির সমতল ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। আগামী এক দিনে এ নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে কমে আসতে পারে এবং চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ অঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি আপাতত বিপৎসীমার নিচেই থাকবে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

গঙ্গা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। তবে পদ্মার পানি রয়েছে প্রায় স্থিতিশীল অবস্থায়। আগামী পাঁচ দিনে গঙ্গা ও পদ্মা দুই নদীর পানিই ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। তারপরও এসব নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা নেই।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীতে গত এক দিনে পানির উচ্চতা কমেছে। বর্তমানে এসব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পানি কিছুটা বাড়লেও পরবর্তী দুই দিন তা স্থিতিশীল থাকতে পারে।

সব মিলিয়ে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা না থাকলেও খোয়াইসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

MCH
আরও পড়ুন