ঢাকা
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
ই-পেপার

মাধবপুরে শিমের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৩৫ পিএম

শিম আমাদের দেশের জনপ্রিয় একটি সবজি, যা খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এই বছর হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাম্পার ফলন হওয়ায় অনেক কৃষক শিম চাষ করে লাভবান হবার স্বপ্ন দেখছেন। মাধবপুরে উৎপাদিত এই শিম যাচ্ছে সারা দেশে। 

মাধবপুর থেকে ঢাকা, সিলেট, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা এসে শিম কিনে নিচ্ছেন।

মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর, নোয়াপাড়া, শাহজাহানপুর, চৌমুহনী, ও বহরা ইউনিয়নগুলোতে শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে এর মধ্যে জগদীশপুর ইউনিয়নে শিম চাষের নিরব বিপ্লব ঘটেছে।

এই বছর মাধবপুর উপজেলায় শিম খরিপ -২ আর রবি মৌসুমে প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭০ হেক্টর। এর মধ্যে জগদীশপুর ইউনিয়নে ৩০ হেক্টর ও নোয়াপাড়া ইউনিয়নে ২০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়েছে।

জগদীশপুরের বড় ধলিয়া গ্রামের কৃষক ধনু মিয়া জানান, এই বছর তিনি ৯০ শতক জমিতে শিম চাষ করেছেন। ২৫/৩০ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে। এই পর্যন্ত এক লাখ টাকার মত বিক্রি হয়েছে। আরো লাখ টাকার মত বিক্রি হবে।

একই ইউনিয়নের বেলঘর গ্রামের কৃষক আলাউদ্দিন জানান, তিনি এই বছর প্রায় ১২০ শতক জমিতে শিম চাষ করেছেন। মোট ৮০ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে। ফলন ভাল হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি শিম পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা কেজি। এই সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি। এই পর্যন্ত ১হাজার কেজি শিম বিক্রি করেছেন আরো ১ থেকে দেড় হাজার কেজি বিক্রি হবে।

নোয়াপাড়ার ব্যাঙ্গাডোবা গ্রামের কৃষক মান্নান মিয়া জানান,তিনি এই বছর ২১ শতক জমিতে শিম চাষ করেছেন। ২০ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে।গাছ গুলোতে ফুল এসেছে। তিনি আশা করেন ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মত শিম বিক্রি হবে।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, শিম চাষে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব রকম পরামর্শ দেওয়া হচেছ। তাছাড়া উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের জমি নিয়মিত পরিদর্শন করছেন।

মাধবপুরে উৎপাদিত শিম যাচ্ছে সারা দেশে। এই বছর খরিপ -২ আর রবি মৌসুমে প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশী।

NB
আরও পড়ুন