ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদের ‘কবিতা সন্ধ্যা’

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৩ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণ শীতের সন্ধ্যায় কবিতার ছন্দে আর প্রাণের স্পন্দনে মুখরিত হয়ে উঠলো। স্বরচিত কবিতা থেকে শুরু করে দেশপ্রেম আর বিদ্রোহের পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে জীবনবোধের এক অনন্য আখ্যান তুলে ধরেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ। 

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টিএসসির পায়রা চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ এই সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘কবিতা সন্ধ্যা’।

কবিতার বহুমাত্রিকতা আয়োজনটি পরিণত হয়েছিল শিল্প ও সাহিত্যের এক ব্যতিক্রমধর্মী মিলনমেলায়। এতে স্বরচিত, সমকালীন, পঞ্চকবি, প্রেম, ব্যঙ্গাত্মক, দেশাত্মবোধক, প্রকৃতি, অনূদিত, শোক ও বিদ্রোহসহ নানা ধারার কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, শুধু কবিতা পাঠে সীমাবদ্ধ না থেকে মননের বিকাশে কবিতার ভূমিকা এবং জীবনযাপনে এর গভীর সম্পৃক্ততাকে তুলে ধরাই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। তাদের মতে, কবিতা কখনো মানুষের নীরব সঙ্গী, কখনো উচ্ছ্বাসের প্রকাশ, আবার কখনো সমাজ ও সময়ের সঙ্গে শাণিত শব্দে কথোপকথনের শক্তিশালী মাধ্যম।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদের মডারেটর ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, ‘আজকের এই কবিতা সন্ধ্যা শব্দের নয়, অনুভবের এক মিলনমেলা। সবার আন্তরিক অংশগ্রহণে এই আয়োজন অর্থবহ হয়ে উঠছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

সংসদের সভাপতি আতিকুর রহমান ত্বহা বলেন, ‘কবিতা মানুষের মনন ও অনুভূতির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রকাশ। কবিতাচর্চা মানুষের চিন্তাকে শাণিত করে এবং মানবিক মূল্যবোধকে জাগ্রত রাখে। এই বিশ্বাস থেকেই আমাদের এই আয়োজন, যাতে তরুণদের মধ্যে সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা আরও বিস্তৃত হয়।’

সাংস্কৃতিক সংসদের সাধারণ সম্পাদক স্মীতা পুরকায়স্থ জানান, কবিতার বহুমাত্রিক ধারাকে ঘরোয়া পরিসরে তুলে ধরাই ছিল এই আয়োজনের উদ্দেশ্য। সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চাকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিতেই এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

HN
আরও পড়ুন