আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে তাকে যেমন আইনের আওতায় আনা হবে, তেমনই সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা কেন্দ্রপ্রধানের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান। আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া এই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে জড়িত কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।
পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবার বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষকদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এলোমেলোভাবে বা র্যান্ডমলি উত্তরপত্র পুনরায় যাচাই করা হবে। যদি কোনো পরীক্ষক সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন না করেন কিংবা কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষাসূচিতে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়ে আরও জানান, আগামী ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এবং বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে, স্কুলে কোচিং বাধ্যতামূলক
ঢাবি অধ্যাপক কলিম উল্লাহসহ তিন শিক্ষককে বরখাস্ত, দুজনকে অব্যাহতি