সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হলের সমস্যা নিয়ে পোস্ট শেয়ার করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।
উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল-মামুনের পদত্যাগের দাবিতে রাত ৮টা থেকে হল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ডাকসু ও ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের শীর্ষ ছাত্রনেতারা অংশ নিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীমের দাবি, পোস্ট শেয়ারের কারণে প্রভোস্ট তাকে কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে আনুমানিক দেড় ঘণ্টা আটকে রাখেন এবং ছাত্রত্ব বাতিলের হুমকি দেন।
ইব্রাহীম নিরাপত্তা নিশ্চিতে অডিও রেকর্ড চালু করলে জোরপূর্বক তার ফোন কাড়াসহ গায়ে হাত তোলার অভিযোগ করেন এবং ভয় দেখিয়ে লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, হল সংসদের প্ররোচনায় পোস্ট করেছেন—এমন স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করে এবং ভবিষ্যতে পোস্ট না করার শর্তে তাকে ছাড়া হয়।
অন্যদিকে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল-মামুন জানান, শিক্ষার্থীকে স্বাভাবিকভাবে বুঝিয়ে নাস্তা খাইয়ে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।
তার দাবি, অনুমতি ছাড়া গোপনে অডিও রেকর্ড করায় স্টাফদের দিয়ে তা ডিলিট করানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থী স্বেচ্ছায় কিছু নাম লিখে দিয়েছে।
শিক্ষার্থীরা একে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ উল্লেখ করে ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রভোস্টের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
সূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য সংগ্রহভিত্তিক প্রতিবেদন।
ভারতীয় মাদকসহ রাবি নেতা গ্রেপ্তার
যুদ্ধ সৌদি ভূখণ্ডে গড়ালে ভয়াবহ পরিণতি হবে : ইয়েমেন