চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ৫৬ দিন স্মরণে ‘মুখোশ মিছিল’ কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি অবস্থান কর্মসূচি ও সর্বাত্মক শাটডাউন অব্যাহত রয়েছে। এ নিয়ে আন্দোলন গড়াল অষ্টম দিনে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মুখোশ পরে অংশ নেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে, আমি কে— সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’, ‘একটি নাম, একটি সুর— সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব বলেন, ‘এই প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের বার্তা স্পষ্ট-একজন সায়েম স্যারকে সরিয়ে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু হাজারো শিক্ষার্থীর কণ্ঠ থেকে তাদের দাবি সরিয়ে দেওয়া যাবে না।’
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আজও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। টানা চতুর্থ দিনের মতো কর্মবিরতিতে রয়েছেন তারা।
এদিকে মঙ্গলবার মধ্যরাতেও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন মহল থেকে চাপ, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন তারা।
চতুর্থ বর্ষের পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, ‘আমাদের এই চলমান আন্দোলনে কতিপয় মহল হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন। আমরা তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, হুমকি দিয়ে আমাদের এই আন্দোলন দমানো যাবে না। আমাদের গণতান্ত্রিক দাবি একটাই, কুয়েটের অধ্যাপক ড. শরীফুল আলমকে উপাচার্য পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল চাই। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদে পুনর্বহাল চাই।’
মোংলা বন্দরে রেকর্ড কার্গো-কনটেইনার হ্যান্ডলিং