আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের ১৭তম কাউন্সিল সভা

আপডেট : ২১ মে ২০২৪, ১১:৪০ পিএম

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এর সভাপতিত্বে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের ১৭তম কাউন্সিল অব দি কলেজ সভা মঙ্গলবার (২১ মে) ঢাকা সেনানিবাসস্থ  আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় পিএসও, এএফডি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বিপি, ওএসপি, বিএএম, এনডিসি, পিএসসি, ডিজিএমএস মেজর জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা, এসপিপি, এনডিসি, এমফিল, এমপিএইচ, এ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, এসইউপি, এনডিইউ, পিএসসি, কমান্ড্যান্ট আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ মেজর জেনারেল কাজী মো. রশীদ-উন-নবী, এমফিল, এমপিএইচ ছাড়াও প্রতিরক্ষা, অর্থ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা  এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের ১৭তম কাউন্সিল সভা শেষে ফটোসেশন

১৯৯৭ সালে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউট এর বিদ্যমান স্থাপনায় আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ চালু করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সে মোতাবেক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালের ১৯ মার্চ কলেজের স্থায়ী ভবন নির্মাণের নামফলক উন্মোচন করেন। ১৯৯৯ সালের ২০ জুন তারিখে ৫৬ জন মেডিকেল ক্যাডেট নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির মাধ্যমে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ৫ জুন ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর অধিভুক্ত হয়।

বর্তমানে এই কলেজে ৬টি শিক্ষাবর্ষে মোট ৭৬৩ জন ক্যাডেট অধ্যয়নরত। এ পর্যন্ত ২০ টি ব্যাচে বিদেশি ক্যাডেটসহ মোট ১৬৭৮ জন চিকিৎসক হয়েছেন যারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং জাতিসংঘ শান্তি মিশনসহ দেশে বিদেশে কর্মরত। অন্যান্য ব্যাচগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী চলমান।

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজে শিক্ষার মান সর্বদাই উন্নত যা বিভিন্ন পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষায় প্রতিফলিত হচ্ছে। বিইউপি এর অধীনে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষার ফলাফলে অত্র কলেজের পাশের হার শীর্ষ স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ দেশের একমাত্র আবাসিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সভায় আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

MHR/AS
আরও পড়ুন