বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। পরবর্তী সময়ে এটি অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে আজই গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর এটি ধীরে ধীরে গতিপথ পরিবর্তন করে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সবকিছু অনুকূলে থাকলে আগামী বুধবার, ২৮ অক্টোবর, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে এটি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি অতি প্রবল রূপ নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কতটা হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি। হাফিজুর রহমানের ভাষ্য, স্থলভাগে আঘাত হানার পর ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আসতে পারে। অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানলে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রভাব তুলনামূলক বেশি হতে পারে।
এদিকে চলতি মাসে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি। এর আগে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসেও স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টি কম হয়েছিল।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার থেকে পরবর্তী এক-দুই দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।
উদ্ধার হওয়া সেই নবজাতককে দত্তক নিতে আবেদন ১২৩ পরিবারের
কবর খুঁড়তে কেউ আসেননি, মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে দাফন করলেন মেয়ে ও বোনেরা
জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা