ইন্টারভিউতে ৭০ মিনিট দেরি সিইওর, চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন প্রার্থী

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৪ পিএম

নির্ধারিত সময়ের ইন্টারভিউতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) ৭০ মিনিট দেরিতে আসায় চাকরির প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এক চাকরিপ্রার্থী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রার্থীর ইন্টারভিউয়ের সময় নির্ধারিত ছিল দুপুর ২টায়। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়েরও ৩০ মিনিট আগে, অর্থাৎ দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে সেখানে পৌঁছে যান। এরপর দীর্ঘ অপেক্ষার পর সিইও সেখানে আসেন বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে, নির্ধারিত সময়ের ৭০ মিনিট পর।

প্রার্থীর দাবি, সিইও দেরিতে আসার পরও তার কাছে দেরির জন্য কোনো দুঃখপ্রকাশ করেননি কিংবা কোনো ব্যাখ্যা দেননি। এরপর সরাসরি ইন্টারভিউ শুরু করা হয়।

ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই প্রার্থী পরে সিইওকে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি জানান, এই দেরি তাকে মনে করিয়ে দিয়েছে যে প্রতিষ্ঠানের কাছে তার সময়ের মূল্য কতটা কম।

প্রার্থী বলেন, একজন চাকরিপ্রার্থী হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রতি পেশাদার আচরণ প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু ইন্টারভিউয়ের প্রথম ধাপেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানো এবং কোনো ব্যাখ্যা বা ক্ষমা না চাওয়ায় তিনি প্রতিষ্ঠানটির কর্মসংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।

শেষ পর্যন্ত তিনি শুধু ইন্টারভিউ থেকে নয়, চাকরি এবং প্রতিষ্ঠান দুটিই প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নেন।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পারস্পরিক সম্মান, সময়ানুবর্তিতা এবং কর্মসংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, ইন্টারভিউ শুধু প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রার্থীকে মূল্যায়নের সুযোগ নয়; প্রার্থীর জন্যও সম্ভাব্য কর্মস্থলকে মূল্যায়নের একটি সুযোগ।

এই ঘটনায় সেই বিষয়টিই সামনে এসেছে একটি চাকরির ইন্টারভিউতে শুধু প্রার্থীর যোগ্যতা নয়, প্রতিষ্ঠানের আচরণও চাকরি গ্রহণের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এএম
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত