নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় সময় বেশি লাগতে পারে: প্রেস সচিব

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের পাশাপাশি এবার গণভোটের (Referendum) ব্যালটও একই সঙ্গে গণনা করা হবে। এ কারণে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ফলাফল প্রকাশে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, একই দিনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ায় ব্যালট পেপারের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি গণনার প্রক্রিয়াটিও কিছুটা দীর্ঘ হতে পারে। ফলে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় কিছুটা দেরি হতে পারে। 

প্রেস সচিব আরও জানান, সুষ্ঠু ও নির্ভুল ফলাফল নিশ্চিত করার স্বার্থেই প্রতিটি ব্যালট সতর্কতার সাথে গণনা করা হবে। গণনার কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ওপর বাড়তি চাপের কথা উল্লেখ করে তিনি ভোটার ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে যেন কোনো গুজব না ছড়ায়, সে জন্য আপনারা আগেভাগেই সাধারণ মানুষকে জানিয়ে রাখবেন, যোগ করেন তিনি।  

এছাড়া নির্বাচনের সময় তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতে উন্নত ইন্টারনেট সেবা দিতে চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বডি-ওর্ন-ক্যামেরার ছবি পেয়ে কুইক রেপন্স করা হবে বলেও জানান তিনি। শফিকুল আলম বলেন, ২৫ হাজার ৫০০ বডি-ওর্ন-ক্যাম থাকবে পুলিশের কাছে। এর ফুটেজ সুরক্ষা অ‍্যাপে যুক্ত হবে, যা দেখে কুইক রেসপন্স নিশ্চিত করা হবে।

ভোটের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন এবং লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারেও তিনি তাগিদ দিয়েছেন বলে জানান প্রেস সচিব।

শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে। এতে নির্বাচনের নিরাপত্তা পর্যালোচনা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভোটের সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে সমন্বয় করে কাজ করবেন। এ সময় ১ লাখ সেনা সদস্য, নৌ বাহিনীর ৫ হাজার, বিমান বাহিনীর সাড়ে ৩ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। অন‍্য বাহিনীর সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসও থাকবে। আরও থাকবে ৫০০ ড্রোন।

এ সময় পাবনা ১ ও ২ আসন নিয়ে শঙ্কা থাকলেও, দুই আসনসহ ৩০০ আসনেই নির্বাচন হবে বলেও জানান তিনি।  

প্রেস সচিব বলেন, এবার নির্বাচনে অংশ নেবেন ১৮৪২ জন বৈধ প্রার্থী। দায়িত্বে থাকবেন ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম‍্যাজিস্ট্রেট ও এক হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম‍্যাজিস্ট্রেট। যেখানে জেলা প্রশাসক জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি।

নির্বাচনি সুরক্ষা নামে একটি অ‍্যাপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিভাবে কাজ করবেন বলেও জানান প্রেস সচিব। 

FJ
আরও পড়ুন