নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনি মাঠে অনিয়ম বা টাকা নিয়ে ধরা পড়াটা ইতিবাচক; এতে প্রমাণিত হয় নজরদারি বজায় আছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, টাকা দিয়ে ভোট কেনার কোনো প্রয়াস সফল হবে না এবং কারো কোনো অসৎ উদ্দেশ্য থাকলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার পর রাজধানীর বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “এখন পর্যন্ত ভোট অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে ভোট দিতে আসছেন। আমরা এখন পর্যন্ত বড় কোনো অভিযোগ পাইনি।” এ সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রকাশের অনুরোধ জানান।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারাদেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বিশেষ করে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সকালেই ভোট দিতে দেখা গেছে। প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে কেবল শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ৮৩ জন (দলীয় ৬৩ জন ও স্বতন্ত্র ২০ জন)।
সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে গতকাল বুধবারই সব কেন্দ্রে সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছিল এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কড়া পাহারায় রয়েছে।
বড় জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী আফরোজা আব্বাস
