যথাযোগ্য মর্যাদা ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে ‘জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন’-এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিউইয়র্কের একটি স্থানীয় হোটেলে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকেই বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।’
আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়টি বিশ্বনেতৃবৃন্দের সামনে তুলে ধরেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ বহু প্রতিকূলতা পেরিয়ে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে, তা জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি বাংলাদেশের শ্রদ্ধাবোধেরই ফসল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘২৬ মার্চ কেবল একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের আত্মপ্রকাশের দিন নয়, বরং এটি বাঙালি জাতির অদম্য সাহস, সম্মান এবং চূড়ান্ত বিজয়ের অবিনাশী প্রতীক।’
এর আগে, দিনের শুরুতে মিশনের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নিউইয়র্কে বসবাসরত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ফের পিছিয়ে গেলো রায়ান রেনল্ডসের ‘অ্যানিমাল ফ্রেন্ডস’
ভারতের সেন্সরে আটকে আছে গাজায় নিহত শিশুকে নিয়ে সিনেমা
