এপ্রিলের শেষেই জাতীয় গ্রিডে আসছে ১,৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, কমতে পারে লোডশেডিং

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম

চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। চলতি এপ্রিল মাসের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে নতুন করে আরও ১ হাজার ৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হতে যাচ্ছে। এতে দেশের চলমান বিদ্যুৎ রেশনিং বা লোডশেডিং পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২৬ এপ্রিল) বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানান, চলতি মাসের মধ্যেই ভারতের আদানি পাওয়ার, চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ার এবং পটুয়াখালীর আরএনপিএল (RNPL) থেকে এই বাড়তি বিদ্যুৎ পাওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কয়লার অভাবে বন্ধ থাকা দেশের তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রোববার কয়লাবাহী একটি জাহাজ পায়রা সমুদ্রবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জ্বালানি আসার পরপরই এসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।

বিপিডিবির কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আদানি পাওয়ার আজ ২৬ এপ্রিল থেকেই গ্রিডে ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে। এসএস পাওয়ার ও আরএনপিএল আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে এই দুই কেন্দ্র থেকে ৬০০ মেগাওয়াট করে মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।

বিপিডিবির তথ্যমতে, গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ১৯৬ মেগাওয়াট। অথচ পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা দাঁড়িয়েছিল ১৬ হাজার ৯০০ মেগাওয়াটে। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় বড় ধরণের ঘাটতি রয়ে গেছে। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে সর্বোচ্চ চাহিদা ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। নতুন এই ১ হাজার ৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হলে চাহিদার সাথে উৎপাদনের ঘাটতি অনেকটাই কমে আসবে এবং গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাবেন বলে আশা করছে বিপিডিবি।

FJ
আরও পড়ুন