সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ–সংক্রান্ত প্রস্তাবে অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মতি মিলেছে। ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অর্থ বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের ধারণা, রেশন সুবিধা চালু হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরবে এবং দাপ্তরিক কাজে তাদের মনোযোগ ও কর্মদক্ষতা বাড়বে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পাঠানো এক চিঠিতে অর্থ বিভাগকে উদ্যোগটির বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতি মাসে প্রতিবেদন এবং প্রতি তিন মাস অন্তর সার্বিক অগ্রগতি উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ উদ্যোগের সূত্রপাত হয় গত ৩ মে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে। ওই সম্মেলনে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এ উদ্যোগ সময়োপযোগী। তবে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দিতে রেশন বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
সরকারি বেতন কাঠামোর ১২তম গ্রেডে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, হিসাব সহকারী, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, গুদামরক্ষক ও অডিটরের মতো পদ রয়েছে। অন্যদিকে ২০তম গ্রেডে রয়েছেন অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, পিয়ন, মালী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।
বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবিসহ ১০টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা সরকার নির্ধারিত সুলভ মূল্যে রেশন সুবিধা ভোগ করেন। নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রথমবারের মতো ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের সাধারণ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এ সুবিধার আওতায় আসতে পারেন।
চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে সুন্দর আচরণও করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দুর্যোগে বন্ধ হওয়া পরীক্ষা বিকল্প প্রশ্নে: শিক্ষামন্ত্রী
জেলা-উপজেলায় হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার