পবিত্র শবে কদর পালন করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। শনিবার (৬ এপ্রিল) রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পবিত্র মহিমান্বিত এ রজনী পালন করেন তারা। অনেকে কবরস্থানে গিয়ে প্রয়াত মা-বাবা, আত্মীয়স্বজনের কবর জিয়ারত করে তাদের আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করেন।
শবে কদর মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। এই রাতের ইবাদত হাজার রাতের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। এ রাতেই মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল-কোরআন নাজিল হয় এবং এ রাতকে কেন্দ্র করে কোরআন শরিফে ‘আল-কদর’ নামে একটি সূরা অবতীর্ণ করা হয়। তাই শবে কদরের রাতটি মুসলমানরা মহান আল্লাহপাকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও পুণ্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার করে অতিবাহিত করেন।
এ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত হয়। মুসল্লিরা জিকির-আজকার করেন। ফজরের নামাজের পর বিশেষ মোনাজাতে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়। এছাড়াও তারাবির নামাজের পর সারাদেশে মসজিদে মসজিদে ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।
কোরআন নাজিলের মাস মাহে রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতগুলোর কোনো একটিই এই পুণ্যময় লাইলাতুল কদর। তবে ওলামায়ে কেরামরা মনে করেন রমজান মাসের ২৬তম দিনের শেষের রাতটিই লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা সর্বাধিক। সেই হিসাবে এই রাতটিকেই লাইলাতুল কদর ধরে ধর্মপ্রাণ মুসলিম নর-নারীরা সারা রাত নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির আসকারে মগ্ন থাকেন।
