নাটকীয়তায় ঠাসা ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট মাথায় তুলল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)।
বুদাপেস্টের হাঙ্গেরো রিং বা পুসকাস অ্যারেনায় নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর, টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ফরাসি জায়ান্টরা।
প্রথমার্ধে আর্সেনালের আধিপত্য
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে পিএসজি শিবিরকে কাঁপিয়ে দেয় গানার্সরা। ৪১তম মিনিটে মিকেল আর্তেতার দলকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন জার্মান ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ।
১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইংলিশ ক্লাবটি। তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি। নুনো মেন্দেসের ক্রস থেকে ফাবিয়ান রুইস বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হলে হতাশ হতে হয় ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের।
দেম্বেলের পেনাল্টিতে পিএসজির সমতা
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে লুইস এনরিকের শিষ্যরা। ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে পিএসজির জর্জিয়ান উইঙ্গার খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়াকে ডি-বক্সে ফাউল করেন আর্সেনাল ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান মসকেরা।
পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পট কিকে গোলরক্ষক দাভিদ রায়াকে পরাস্ত করে পিএসজিকে ১-১ সমতায় ফেরান ফরাসি তারকা উসমান দেম্বেলে। ২০১৮ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে দুই দলই গোলের দেখা পেল।
ম্যাচের পরিসংখ্যান: পুরো ম্যাচে ৭৫ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেছিল পিএসজি। তারা প্রতিপক্ষের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে মোট ১৮টি শট নেয়, যার মধ্যে ৩টি ছিল অন-টার্গেট। অন্যদিকে, রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলা আর্সেনাল মাত্র ৪টি শট নিতে পেরেছিল।
অতিরিক্ত সময় ও টাইব্রেকার ভাগ্য
ম্যাচের নির্ধারিত সময় ১-১ সমতায় শেষ হলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে (যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে) বারকোলা গোল করার সুবর্ণ সুযোগ মিস করলে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে ৪-৩ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় মার্কিনিয়োসের দল।
টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল পিএসজি। অন্যদিকে, তীরে এসে তরী ডোবায় হতাশায় ডুবতে হলো গানার্স ভক্তদের।
ইবোলা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক, বাড়ছে মৃত্যু
ইসরায়েলকে কোনোভাবেই স্বীকৃতি নয়: পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী