আর্জেন্টিনাকে বধ করে ফুটবলের নতুন রাজা স্পেন

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৭ এএম

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রোববার রাতে বিশ্ব ফুটবলের নতুন অধ্যায় রচিত হলো। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন। 

লুইস দে লা ফুয়েন্তের শীষ্যদের চোখধাঁধানো আক্রমণের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে আলবিসেলেস্তাদের।

পুরো ম্যাচজুড়ে বল দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় স্পেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে তো বটেই, পুরো ১২০ মিনিটেও গোলমুখে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির দল। অন্যদিকে স্প্যানিশদের করা ২০টি শটের ১২টিই ছিল লক্ষ্যবরাবর।

আর্জেন্টিনার ত্রাণকর্তা হিসেবে একা লড়ে গেছেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ম্যাচে অবিশ্বাস্য ১১টি সেভ করে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তিনি। চতুর্থ মিনিটে লামিন ইয়ামালের জোরালো শট ঠেকিয়ে যিনি জয়ের অপেক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

প্রথমার্ধে স্পেনের হাই-প্রেসিং ফুটবল পুরোপুরি অচেনায় রূপ দেয় আর্জেন্টিনাকে। প্রথম ৪৫ মিনিটে স্প্যানিশ ডি-বক্সে একবারও বল স্পর্শ করতে পারেননি মেসি-মার্তিনেজরা। বিরতির পর নিকো উইলিয়ামস ও মিকেল মেরিনো মাঠে নামলে স্পেনের আক্রমণের ধার আরও বেড়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে ৬৮ মিনিটে তোরেসের নিশ্চিত হেড ও পরে পেদ্রির দূরপাল্লার শট ঠেকিয়ে দেন মার্তিনেজ। তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার ঠিক আগে বড় বিপদে পড়ে আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেস, ফলে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে লাল কার্ড পাওয়া ষষ্ঠ ফুটবলার হন তিনি।

১০ জনের দল নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে আর রক্ষা হয়নি আলবিসেলেস্তাদের। ম্যাচের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের চমৎকার পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস। পরবর্তীতে তোরেসের আরও একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।

শেষ মুহূর্তে সমতায় ফিরতে মরিয়া চেষ্টা করলেও স্প্যানিশ ডিফেন্স ভেদ করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ২০১০ সালের পর ফের সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্প্যানিশরা, অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয় লিওনেল মেসির।

সোর্স / তথ্যসূত্র: স্পোর্টস নিউজ ডেস্ক (মেটলাইফ স্টেডিয়াম রিপোর্ট)।

HN
আরও পড়ুন