কানপুর টেস্টে চরম নাটকীয়তা। বৃষ্টির কারণে প্রথম দিনে খেলা হয়েছে ৩৫ ওভার। প্রথম দিনে এই ৩৫ ওভার খেলার পর পরের দুইদিন আর বল মাঠে গড়াতে পারেনি। চতুর্থ দিনে খেলা শুরু হতেই সব নাটকীয়তা আর উত্তেজনা। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষে ভারতীয় ইনিংসের শুরুতে একের পর এক বিস্ময়। ব্যাট হাতে নেমে ভারত ড্র'তে নয়, বরং জয়ের দিকে মনোযোগী হয়। আর তাতেই রেকর্ডের পর রেকর্ডের জম্ম দিয়েছে দলটি। এখন জয়ের দ্বারপ্রান্তে তারা। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস ১৪৬ রানে শেষ হয়েছে। জয় পেতে ভারতের দরকার ৯৫ রান। বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লাঞ্চ বিরতি দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশকে প্রথম ইনিংসে ২৩৩ রানে অল আউট করে চতুর্থ দিনে স্বাগতিক দল ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৯ উইকেটে ২৮৫ রানে ইনিংসের সমাপ্তি টেনেছিল।
ভারত টেস্ট নয়, খেলেছিল টি-টোয়েন্টি ইনিংস। মাত্র ৩৪.৪ ওভারে ২৮৫ রান করেছিল তারা। এই ইনিংসটি খেলতে ভারত একের পর এক রেকর্ডের জম্ম দিয়েছিল। ৫২ রানে এগিয়ে থেকে স্বাগতিক দল বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেয়। ম্যাচ বাঁচানোর জন্য যা করণীয় বাংলাদেশ তা করতে পারেনি। চতুর্থ দিনের শেষভাবে মাত্র ১১ ওভার বোলিং মোকাবেলায় ২৬ রান করেছিল। রান নয়, উইকেট ধরে রাখা উচিত ছিল। বাংলাদেশের ব্যাটাররা সে কাজটি করতে পারেনি। চতুর্থ দিনে ২ উইকেট হারিয়ে খেলা শেষ করেছিল।
আজ পঞ্চম দিনে শুরুতেই ভারতীয় বোলাররা বাংলাদেশের ব্যাটারদের ওপর চড়ায় হয়। যেভাবে হোক জয় পেতে চায় তারা। সেই প্রতিজ্ঞায় ভারতীয় দল পঞ্চম দিনের শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট তুলে নিয়েছে। ১৪৬ রানে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস। ফলে ৯৪ রানের লিড বাংলাদেশের।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে ওপেনার সাদমান ইসলাম ও সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন। সাদমান ৫০ রান করেন। মুশফিকুর ৩৭ রান। ওপেনার জাকির হাসানের রান ১০। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৯ রান করেন। অন্য ব্যাটারদের কেউ ব্যক্তিগত রানকে দুই অংকে নিতে পারেননি।
ভারতের জসপ্রিত বুমরা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবিন্দ্র জাদেজা তিনটি করে উইকেট নেন।
