গ্রুপসেরা নির্ধারণী ম্যাচে গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হলো পর্তুগাল ও কলম্বিয়ার ম্যাচ। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে গোল আদায় করতে পারেনি কোনো দলই। এই ফলে গ্রুপ ‘কে’ থেকে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়া। আর রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২–এ উঠেছে পর্তুগাল, যেখানে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের প্রতিপক্ষ হবে লুকা মদরিচের ক্রোয়েশিয়া।
গত ম্যাচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ২ টি গোল পেলেও কলম্বিয়ার বিপক্ষে কোনো গোল পাইনি পর্তুগিজ এই তারকা। অন্যদিকে মেসি প্রত্যাক ম্যাচে গোল করে একের পর এক রেকর্ড গড়ছেন।

৩ ম্যাচে দুটি জয় ও একটি ড্রয়ে কলম্বিয়ার সংগ্রহ সর্বোচ্চ ৭ পয়েন্ট। সমান তিনটি ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান করছে পর্তুগিজরা। এদিকে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে কঙ্গো। এই তিন দলই ‘কে’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে।
ফ্লোরিডার মায়ামি গার্ডেনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচজুড়ে অবশ্য আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে পরস্পরকে চেপে ধরে পর্তুগাল ও কলম্বিয়া। গোল না পেলে লাগাতার আক্রমণ রোমাঞ্চকর লড়াই জমিয়ে তোলে। তবে তুলনামূলক পজেশন ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। ৫৫ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি তারা ২৪টি শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে, আর পর্তুগালের ১৩ শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল।
প্রথমার্ধে পর্তুগালের ব্রুনো ফার্নান্দেজ গোল করার খুব কাছাকাছি ছিলেন, তবে কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভারগাস তাকে হতাশা উপহার দেন। পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা ছয়টি সেভ করেছেন, যা দলের প্রথম দুই ম্যাচে তার মোট সেভের চেয়েও বেশি।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে দাভিনসন সানচেজের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বলে মনে হয়েছিল কলম্বিয়া। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়ায় গোলটি বাতিল হয়।
গোলশূন্য ড্র হলেও ম্যাচে ছিল দারুণ উত্তেজনা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দুই দলই একে অপরের ওপর চাপ ধরে রাখে এবং একাধিক সুযোগ তৈরি করে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচে কলম্বিয়া মোট ২৪টি শট নেয়, আর পর্তুগাল নেয় ১৩টি।
শতভাগ জয়ের পূর্ণতায় নকআউটে আর্জেন্টিনা
মেসির গোলেই বিশ্বরেকর্ড
লে সেলসোর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা