বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা নিম্নমুখী হয়েছে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। ইরান ও প্রতিবেশী ওমান কৌশলগত এই জলপথ পরিচালনা ও নিরাপদ নৌ চলাচল নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু করেছে।
বুধবার গ্রিনিচ মান সময় ০০:২৭ মিনিটে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৭৮ ডলার বা ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৬.৮০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১.৪৯ ডলার বা ১.৮ শতাংশ কমে ৮০.৮৭ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগের দিনও উভয় বেঞ্চমার্কের দাম ৩ শতাংশের বেশি কমেছিল। বাজারে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে যে, ইরান ও ওমানের আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার একটি ব্যবস্থা তৈরি হতে পারে। দুই দেশ একটি অস্থায়ী নৌ চলাচল করিডর চালু এবং জলপথে থাকা মাইন অপসারণের বিষয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে।
বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংঘাতের আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে সেখানে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ-সংকটের আশঙ্কা কমবে এবং তেলের দামে থাকা ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি-প্রিমিয়ামও কমতে পারে।
তবে বাজার এখনো পুরোপুরি স্বস্তিতে নেই। হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ ও অবাধ নৌ চলাচল কবে পুরোপুরি ফিরবে, তা নিশ্চিত নয়। নতুন করে কোনো সামরিক উত্তেজনা বা জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটলে তেলের দাম আবার দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
যে ফার্স্টলেডির মরদেহ চুরির ১৬ বছর পর উদ্ধার হয়েছিল
ট্রাম্পকে কীভাবে বিপদে ফেলতে পারে কানাডা?